ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌরসভার কোষাধ্যক্ষ মো. ফজলুল করিম ওরফে খসরুর বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি অননুমোদিতভাবে বিদেশে অবস্থান, চাকরিতে পুনর্বহাল হওয়া, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এবং ব্যবসায়ীদের হয়রানি করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আশিকুর রহমান স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, ২০০৬ সালে কসবা পৌরসভায় যোগদান করা ফজলুল করিম দীর্ঘ ২০ বছর ধরে একই পদে দায়িত্ব পালন করছেন এবং লাইসেন্স পরিদর্শকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত রয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৯ সালে তিনি পূর্বানুমতি ছাড়াই দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়েছিলেন এবং ২০১০ সালে দেশে ফিরে ভুয়া মেডিকেল সনদ দাখিল করে চাকরিতে পুনর্বহাল হন। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে যে, তিনি এক বছরের বকেয়া বেতন-ভাতা একসঙ্গে উত্তোলন করেছেন, যা সরকারি অর্থ আত্মসাতের শামিল।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, লাইসেন্স পরিদর্শকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অন্যত্র বদলিতে বাধ্য করা হয়েছে এবং ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের নামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হলেও তা পৌরসভার রাজস্ব তহবিলে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
ফজলুল করিম অভিযোগগুলোর বিরুদ্ধে কথা বলার সময় দাবি করেন, তিনি দক্ষিণ কোরিয়া যাননি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো তার নয়, বরং তার ভগ্নিপতির মালিকানাধীন। কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছামিউল ইসলাম বলেছেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।