টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বানাইল ইউনিয়নে সরকার নির্ধারিত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৫ টাকা কেজির চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ডিলার নিশাত পারভিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি বরাদ্দকৃত ৩০ কেজি চালের পরিবর্তে কার্ডধারীদের ২৬ থেকে ২৭ কেজি করে চাল বিতরণ করছেন।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন যে, কার্ড থাকা সত্ত্বেও অনেককে চাল না দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। প্রতিবাদ জানালে তাদেরকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। বানাইল ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনের ইউপি সদস্য সুফিয়া বেগম জানান, তিনি প্রতিবাদ করতে গিয়ে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন।
রাশেদা বেগম নামের এক বৃদ্ধা অভিযোগ করেন, তিনি টানা চার দিন ঘুরানোর পর চাল পেয়েছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে তার নাম মাস্টার রোলে পাওয়া যায় এবং পরে তাকে চাল প্রদান করতে বাধ্য হন ডিলারের প্রতিনিধিরা।
চাল বিতরণ কার্যক্রমের ট্যাগ অফিসার আব্দুল লতিফ খান অনিয়মের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ডিলার দোকান খোলার সময় তাকে জানায় না। তিনি জানান, গত ১১ তারিখ চাল বিতরণের দিন নির্ধারিত থাকলেও ডিলার দোকান বন্ধ করে চলে যান।
বানাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন সিদ্দিকী জানান, ডিলারের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ এসেছে। অভিযোগের বিষয়ে ডিলার নিশাত পারভিনের স্বামী রফিকুল ইসলাম দুর্নীতি অস্বীকার করেন, তবে মাপে কম দেওয়ার বিষয়ে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার নির্দেশের দাবি করেন। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রেবেকা সুলতানা রুবী বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।