সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য আয়নুল হকের গাড়িতে হামলার ঘটনায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) রায়গঞ্জ থানার ওসি আহসানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ এবং ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে গ্রেপ্তারের স্বার্থে মামলায় অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি তিনি।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে স্থানীয় বিএনপি নেতা শামীমুল হাসান খন্দকার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার বাদী জানান, ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আসামিদের নাম এখনই প্রকাশ করতে চাইছেন না তিনি।
শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় সংসদ সদস্য আয়নুল হক শারীরিকভাবে আহত না হলেও তার গাড়ির পেছনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রায়গঞ্জ উপজেলায় কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে একটি জরুরি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বের হওয়ার সময় সংসদ সদস্যের গাড়িতে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পর এমপি আয়নুল হক দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
হামলার ঘটনায় এমপি আয়নুল হকের সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তির ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে তিনি জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) দায়ী করেন। তবে সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান।
সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম খান বলেন, হামলার ঘটনায় রাতেই মামলা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে।