২০১৬ সালের ৭ জুলাই, ঈদুল ফিতরের সকালে শোলাকিয়া ঈদগাহে জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় পুলিশের দুই কনস্টেবল নিহত হন এবং আটজন পুলিশ সদস্য আহত হন। হামলার সময় জঙ্গিদের ছোড়া একটি গুলি নিহত করে গৃহবধূ ঝর্ণা রানী ভৌমিককে।
হামলার পর পুলিশ ও র্যাবের অভিযানে জঙ্গি শফিউল ইসলাম ডন এবং স্থানীয় সন্দেহভাজন যুবক তানিমকে আটক করা হয়। মামলায় মোট ২৪ জনকে আসামি করা হয়, যাদের মধ্যে ১৯ জন বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নিহত হয়েছে।
দশ বছর পরও হামলার স্মৃতি এখনও স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে রয়েছে। এলাকাবাসীরা জানান, ঈদের দিন এলেই সেই ভয়াবহ সকাল তাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে। তারা দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
মামলার বিচার প্রক্রিয়া ধীরগতিতে চলছে বলে জানিয়েছেন জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর মো. শাহ কামাল সরকার। তিনি জানান, ১০২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী ৭ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
শোলাকিয়ার সেই রক্তাক্ত সকাল কেবল ইতিহাসের একটি ঘটনা নয়, এটি কিশোরগঞ্জবাসীর স্মৃতিতে গভীর ক্ষত হয়ে রয়ে গেছে। ন্যায়বিচারের অপেক্ষা এখনও শেষ হয়নি।