July 7, 2026, 4:46 pm

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজির জন্য ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান: সংসদে নতুন বিল পাস

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজির জন্য ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান: সংসদে নতুন বিল পাস

জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে, যা পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখে। নতুন আইনে এসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটে বিলটি অনুমোদন পায়।

নতুন আইনে অনলাইনসহ যেকোনো মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পূর্বে ১০ বছরের ছিল। সংশোধিত আইনে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ বা ডিজিটাল কারসাজির সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে, যা পাবলিক পরীক্ষার ডেটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন এবং মুছে ফেলা বা গোপন করার মতো কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করবে।

এছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন বা পরীক্ষার নির্দেশনা অমান্য করলেও একই মাত্রার শাস্তি দেওয়া যাবে। পরীক্ষার্থীকে অসদুপায়ে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে চুক্তি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

সংশোধিত বিলে উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের বিরুদ্ধেও শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষক ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তরপত্র অতিমূল্যায়ন বা অবমূল্যায়ন করলে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। শিশুদের ক্ষেত্রে শিশু আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা