বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পায়নি পুলিশ। তবে সুরতহাল প্রতিবেদনে তার নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে গাজীপুরের টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মুস্তাফিজুর রহমান মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার বিকেল পৌনে ৬টার দিকে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাটের পাশ থেকে ভাসমান অবস্থায় তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার চোখ ও মুখ বন্ধ ছিল এবং পেট ফোলা ছিল। বুক, পেট, পিঠ, দুই পা ও যৌনাঙ্গে দৃশ্যমান কোনো অস্বাভাবিকতা বা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
নৌ-পুলিশের তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাহসিফের হাতে একটি ঘড়ি ও পকেটে একটি আইফোন পাওয়া যায়। ওই ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
২৮ বছর বয়সী তাহসিফ উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি খুলনার সোনাডাঙ্গায়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের সময় কুর্মিটোলা বিমানবন্দর থেকে উড়োজাহাজে ওঠার যে ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল, সেটি তাহসিফ ধারণ করেছিলেন বলে আলোচনা রয়েছে। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রতিবেদনে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।