মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত অবসানে ইরানের দেওয়া প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতারের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের এই জবাব তেহরানে পৌঁছেছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাবের সমালোচনা ও প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিসভার বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রের জবাবটি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের কাছে তুলে দেন। তবে চিঠিতে কী বলা হয়েছে বা এ বিষয়ে তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা সরকারিভাবে জানানো হয়নি।
এর আগে সংঘাত বন্ধ এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে সাত দিনের একটি প্রস্তাব দেয় ইরান। প্রস্তাবে ইরানি অর্থের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের মতো শর্তের কথা বলা হয়। শর্ত পূরণ হলে হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল চালুর কথা জানিয়েছিল তেহরান।
তবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের ধাপ ও শর্তের ক্রম নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। কাতারের মধ্যস্থতায় এ নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনাও পুরোপুরি কাটেনি। একই সময়ে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি দেশটিকে সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।