April 19, 2026, 11:17 am

নাসিক ২ নং ওয়ার্ড বাসীর গ্যাসের দাবিতে মহাসড়কে মানববন্ধন সড়ক অবরোধ

,সিদ্ধিরগঞ্জ (০৫’জুলাই ২২’ইং মঙ্গলবার) ঃ নাসিক ২ নং ওয়ার্ডে গ্যাস পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধন ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছে এলাকাবাসী। অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারিদের কারণে ঠিকমত গ্যাস পাচ্ছেনা বৈধ গ্রাহকরা। তিতাস কর্তৃপক্ষের কাছে মৌখিক অভিযোগ করার পরও দুর্ভোগ লাগব হচ্ছেনা। ফলে গতকাল মঙ্গলবার সকাল দশটায় মৌচাক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন নাসিক ২নং ওয়ার্ড এলাকার কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ।
মানবন্ধনকারি আবাসিক গ্রাহকদের অভিযোগ, নাসিক ২ নং ওয়ার্ডের মিজমিজি পশ্চিম পাড়া, মধ্যপাড়া, কান্দাপাড়া, হাজেরা মার্কেট, ধণুহাজী রোড, রহিম মাকের্ট, সাহেবপাড়া এলাকার বৈধ গ্রাহকরা দীর্ঘ দিন ধরে গ্যাস সংকটে ভোগছেন। গ্যাস না থাকায় রান্না-বান্না করতে পারছেননা বৈধ গ্রাহকরা। অথচ এসব এলাকায় মশার কয়েল তৈরির কারখানাসহ কমপক্ষে বিভিন্ন রকম অর্ধশতাধিক কারখানা গড়ে উঠেছে অবৈধভাবে। অবৈধ এসব কারখানায় দেওয়া হয়েছে অবৈধ গ্যাস সংযোগ। কারখানা ছাড়াও বিভিন্ন বহুতল ভবনে অবৈধ গ্যাস সংযোগ রয়েছে। মেশিনের সাহায্যে কয়েল কারখানায় গ্যাস টানার ফলে আবাসিক গ্রাহকরা গ্যাস পাচ্ছেনা। আথচ মাসে মাসে নিয়মিত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে বৈধ গ্রহকদের। অবৈধরা তিতাস কর্মকর্তা ও স্থানীয় দালালদের উৎকোচ দিয়ে নিশ্চিন্তে গ্যাস ব্যবহার করছে। এতে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছেন। গ্যাস সমস্যার কথা তিতাস কর্তৃপক্ষকে বার বার জানানোর পরও কোন প্রতিকার হচ্ছেনা। তাই বাধ্য হয়ে একর্মসূচি পালন করছি। তাতেও সমাধান না হলে আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।
মানবন্ধনের নেতৃত্ব দেওয়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আমিনুল হক ভূঁইয়া রাজু বলেন, আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা কল কারখানায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে বৈধ গ্রাহকরা গ্যাস পাচ্ছেনা। এসব অবৈধ কারখানায় তিতাস কর্তৃপক্ষ মাঝে মাঝে লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও অর্থ দন্ড করেন। তবে অভিযান শেষ করে চলে যাওয়ার কয়েক ঘন্টা পর আবার কারখানা মালিকরা গ্যাস লাইন সংযোগ দিয়ে দেয়। শুধু মিজমিজি এলাকাই নয় সমস্ত সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকাতে একই চিত্র।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শ শহিদুল ইসলাম বলেন, বেশ কিছু নারি-পুরুষ গ্যাসের দাবিতে মহাসড়কে উঠেছিল। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে গিয়ে তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সড়িয়ে দিয়েছি।#####

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা