April 19, 2026, 10:20 am

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত করার ওপর ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ খাতিবজাদেহ গুরুত্বারোপ করেছেন। একইসঙ্গে এটি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা নতুন করে বৈঠকের তারিখ ঠিক করতে পারছি না বলেও জানান তিনি। শনিবার (১৮ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, কিছু বিষয় নিয়ে দুপক্ষ এখনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। আর এর কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ‘অতিরিক্ত দাবি’ উত্থাপন করেছে।

অজ্ঞাতনামা ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, তেহরান তার শর্তগুলো পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে জানিয়ে দিয়েছে।

এছাড়াও তারা দীর্ঘ এবং অর্থহীন আলোচনা করে সময় নষ্ট করতে চায় না বলেও স্পষ্ট করেছে তেহরান।

এদিকে বিগত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কিছু নতুন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তেহরান সেগুলো পর্যালোচনা করছে এবং এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি বলে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে।

জানা যায়, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রথম দফার শান্তি আলোচনা ফলপ্রসু হয়নি। যদিও দুপক্ষের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলছে।
এদিকে দ্বিতীয় দফায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে চেষ্টা করছে পাকিস্তান

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা