April 19, 2026, 2:14 pm

নাসিক ২নং ওয়ার্ডে ময়লার স্তুপ মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা

, সিদ্ধিরগঞ্জ (১২’ফেব্রুয়ারি ২২ইং শনিবার) ঃ সিদ্ধিরগঞ্জে মিজমিজি দক্ষিণপাড়া হাজেরা মার্কেট সংলগ্ন হাজীপাড়া এলাকায় গৃহস্থালির ময়লা খোলা স্থানে স্তুপ করে রাখায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে জনগণের চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি। এই এলাকায় স্তুপাকৃত ময়লার কারণে নানা সমস্যায় জর্জরিত আশেপাশের বসবাসকৃত অসংখ্য বাসিন্দা। পরিচ্ছন্ন কর্মীদের ঐ স্থানে ময়লা ফেলার জন্য নিষেধ করা হলেও তারা এলাকাবাসীর কোন কথা শুনেনা বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন সুফল পায়নি স্থানীয়রা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাজীপাড়া এলাকার একটি খালি জমিতে বিশাল ময়লার স্তুপ রয়েছে। সিটি কর্পোরেশন এলাকা হওয়ায় বিভিন্ন বাসা-বাড়ি থেকে গৃহস্থালির ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে ঐ স্থানে জমা করেছে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা। এসব ময়লার দুর্গন্ধ ঐ এলাকার আশেপাশে অনেক দুর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। ময়লার দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় আশেপাশে মশা-মাছির উপদ্রব বেড়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী মো. খোরশেদ আলম বলেন, আমাদের এখানে আবাসিক এলাকায় ময়লা ফেলা হচ্ছে গত রমজান মাস থেকে। এতে দুর্গন্ধের মধ্যে আমরা থাকছি। এখানে স্কুল-বাসাবাড়ি-মসজিদ রয়েছে। সবকিছুতেই আমরা সমস্যায় রয়েছি। এই সমস্যার মধ্যেই আমরা এখানে ময়লা ফেলার জন্য বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমার ঠিকমত নামায পড়তে পারিনা, বাসায় খাওয়া-দাওয়া করতে পারিনা। মাছি ভনভন করে।
স্থানীয় এলাকাবাসী মো. আব্দুল হালিম বলেন, যারা ময়লা ফেলছে তাদেরকে আমি বাপ ডাকছি, ভাই ডাকছি। তারপরও দেখি তারা আমাদের নিজেদের লোকেরাই এখানে ময়লা ফেলে জায়গাটা একেবারে বাতিল করে দিছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী মাহবুব রহমান মুন বলেন, আমাদের এলাকাটি সুন্দর একটি এলাকা। ছুটির দিনগুলোতে বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এখানে ঘুরতে আসে। ময়লার কারণে এখানকার পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে মানুষ নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দে চলাফেরা করতে পারে না। কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের আবেদন, তারা যেন দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করে আমাদের দুর্ভোগ দুর করেন।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের বর্জ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কনজার্ভেন্সি সুপার ভাইজার আসাদুজ্জামান নূর জানান, এ বিষয়টি আমি অবগত নই। যেহেতু এ বিষয়ে আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখবো। #####

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা