April 19, 2026, 2:13 pm

মতলবে মাইক্রো- সিএনজি সংঘর্ষে চারজন নিহত, আহত দুই

আব্দুল মান্নান খানঃ মতলব বাবুরহাট পেন্নাই সড়কে মাইক্রোবাস ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত এবং দুইজন আহত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সড়কের বড়দিয়া বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর থ-১১-২৭৯৬ নম্বরের সিএনজিটি চাঁদপুর থেকে যাত্রী নিয়ে মতলবের উদ্দেশ্যে আসছিল। বিপরীত দিক থেকে ঢাকা মেট্রো-চ -১৯-৮০১২ নম্বরের মাইক্রোবাসটি দ্রুতগতিতে সিএনজিটি কে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মতলব উত্তর উপজেলার ঘনিয়ার পাড় এলাকার জালাল উদ্দিন মোল্লার ছেলে সিএনজি চালক জসিম উদ্দিন মোল্লা (৪৯) মারা যান। সিএনজিতে থাকা অপর পাঁচ যাত্রীর মধ্যে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন চাঁদপুর শহরের পুরান বাজার এলাকার হারুন বেপারীর ছেলে হানিফ বেপারী (২৮), নতুন বাজার এলাকার আজিম জামানের মেয়ে নুপুর (১৪) এবং ৭০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাতনাম বৃদ্ধা। দুর্ঘটনায় নিহত হানিফ বেপারীর স্ত্রী জান্নাত আক্তার পপি(২৫) আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও আহত অপর এক জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনায় মাইক্রোবাসটি থাকা এক প্রবাসী ও তার স্বজনরা অক্ষত অবস্থায় থাকলেও এর চালক গাড়িটি রেখেই পালিয়ে যায়। মর্মান্তিক এই সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় জনতা প্রায় ঘন্টাব্যাপী মতলব বাবুরহাট সড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে দুর্ঘটনাস্থলে দুই দিকে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। পরে মতলব দক্ষিণ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যানচলাচল স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিয়া জানান, ঘটনাস্থল থেকে নিহত চালক, মাইক্রো বাস ও সিএনজিটি উদ্ধার করা হয।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা