April 20, 2026, 3:18 am

সিদ্ধিরগঞ্জের কোটি পতি নিরাপত্তা প্রহরীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

) ঃ সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি কালুহাজী রোড এলাকায় বাসিন্দা নিরাপত্তা প্রহরী ছৈয়দ আলী সবুজের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ ও জিডি করা হয়েছে। একই এলাকার আলী আজগর ও পারভেজ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানী ও হুমকি ধমকি দিচ্ছে।
কালুহাজী রোড এলাকার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আলী আজগর অভিযোগে উল্লেখ করেন, একই এলাকার মজিবুল হক দেওয়ানের ছেলে ছৈয়দ আলী সবুজ কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালে নিরাপত্তা প্রহরী। তার বিরুদ্ধে নিরাপত্তা প্রহরী যখন কোটিপতি ও বিভিন্ন শিরোনামে কয়েকটি জাতীয়, স্থানীয় ও অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসব সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় ছৈয়দ আলী সবুজ ক্ষুব্ধ হয়ে আমাকে বিভিন্ন হুমকি দিচ্ছে। নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে সরকারি চাকরি করে ছৈয়দ আলী সবুজ রাতা রাতি কি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হলো গণমাধ্যম কর্মীরা স্বউদ্যোগে অনুসন্ধান করে এসব সংবাদ প্রকাশ করেছে। এতে আমার কোন হাত নেই। তবু সৈয়দ তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে প্রতিনিয়তই হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। অপর দিকে পারভেজ জানায়,একই কারণে সৈয়দ ২৩ অক্টোবর দুপুরে আমার বাড়িতে গিয়ে মায়ের সামনে উল্টা পাল্টা কথা বলতে থাকে। তার বাড়িতে যেন গণমাধ্যম কর্মীরা না যায় সে সমাধান করে দিতে বলে। তখন আমি তাকে বুঝাই গণমাধ্যম কর্মীরা গেলে আমি কি করে তাদের থামাব। বার বার সে একই কথা বলতে থাকলে বিরক্ত হয়ে তাকে আমার ঘর থেকে বের করে দেই। এতে সে আমার বিরুদ্ধে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলে থানায় গিয়ে জিডি করে। সে আমার বিরুদ্ধে এধরনের মিথ্যা অভিযোগ তুলে হয়রানী করার অপচেষ্টা চালিয়ে আমার ক্ষতি করতে পারে বলে আসঙ্কা করায় তার বিরুদ্ধে পাল্টা জিডি করি।
স্থানীয়রা জানায়, নদী ভাঙনে সর্বসান্ত হয়ে জীবীকার জন্য বরিশাল থেকে সপরিবারে সিদ্ধিরগঞ্জের কালুহাজী রোড এসে মাসিক আটশত টাকা ভাড়ায় ঠাঁই নেন ইসমাইল মাষ্টারের বাড়িতে। করতেন দিনমজুরের কাজ। পরে ঢাকা মতিঝিল দিলকুশার কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপীলাত ট্রাইব্যুনালে নিরাপত্তা প্রহরীর চাকরি নেয় ছৈয়দ আলী সবুজ। ২০১৭ সাল পর্যন্ত ভাড়া বাড়িতে ছিলেন। বর্তমানে তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক। মাত্র কয়েক বছরে সবুজ কি করে এত টাকার মালিক হলো এটা শুধু গণমাধ্যম কর্মীই নয় এলাকাবাসীরও প্রশ্ন।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা