September 29, 2026, 3:11 pm

বাংলাদেশের বিমান আটকে দেওয়ার বিষয়ে পাকিস্তানের ব্যাখ্যা। ছবি : সংগৃহীত

রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী ফ্লাইট: রাজনৈতিক নয়, কারিগরি বিষয় বলছে পাকিস্তান

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম নিয়ে আসা একটি ফ্লাইটকে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার ঘটনাকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয় বলে জানিয়েছে দেশটির হাইকমিশন। তাদের দাবি, বিষয়টি ফ্লাইটের রুট নির্ধারণ ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি সংক্রান্ত কারিগরি ও প্রক্রিয়াগত।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, কূটনৈতিক ফ্লাইট ও আকাশসীমা ব্যবহারের আবেদন দেশটির প্রচলিত নিয়ম, বেসামরিক বিমান চলাচলবিষয়ক প্রটোকল এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হয়।

হাইকমিশন জানায়, রূপপুরের জ্বালানি পরিবহন নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে যে বিষয়টি উঠে এসেছে, তা মূলত ফ্লাইটের রুট ও আকাশসীমার অনুমতি সংক্রান্ত কারিগরি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত। এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিমান চলাচল ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। এতে কখনো কখনো ফ্লাইটের সময়সূচিতে পরিবর্তনও আসতে পারে।

বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে হাইকমিশন বলেছে, ঘটনাটিকে যথাযথ কারিগরি প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত। একই সঙ্গে এমন কোনো প্রতিবেদন বা বয়ানকে অতিরিক্ত গুরুত্ব না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

এর আগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছিলেন, রূপপুরের জ্বালানি বহনকারী বিমানটি ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইটটি আসতে পারেনি। সে সময় অনুমতি না দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।

রূপপুর প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, একাধিক দেশের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না মেলায় ফ্লাইটটি স্থগিত হয়। পরে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম জানায়, অক্টোবর থেকে ইউরেনিয়াম সরবরাহ পুনরায় শুরু হবে এবং বছরের শেষ নাগাদ সব চালান সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা