ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গরমের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে ডাবের চাহিদা। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন বাজারে প্রতি মাসে প্রায় দেড় লাখ পিস ডাব বিক্রি হচ্ছে, যার বাজারমূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা। এই ব্যবসার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে।
জেলায় প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার হাজার পিস ডাব বিক্রি হয়, যার মধ্যে জেলা শহরে প্রায় তিন হাজার পিস বিক্রি হচ্ছে। ডাবের দাম ১২০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে রয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
বর্তমানে জেলায় প্রায় ১৫০ জন ডাব ব্যবসায়ী রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ জন জেলা শহরে ব্যবসা করছেন। অধিকাংশ ব্যবসায়ী ফুটপাতে দোকান বসিয়ে কিংবা ভ্যানগাড়িতে ডাব বিক্রি করেন।
বিক্রেতাদের মতে, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, সিলেট ও ভোলাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ডাব আসে। বিশেষ করে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর থেকে সবচেয়ে বেশি ডাব সরবরাহ করা হয়।
ক্রেতাদের মধ্যে ডাবের বাড়তি দাম নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অনেক ক্রেতা জানান, পূর্বে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় ডাব কিনলেও বর্তমানে দাম বেড়ে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় পৌঁছেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী জানান, গরমে ডাবের পানি পানিশূন্যতা ও লবণের ঘাটতি পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখে এবং এটি ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতাজনিত বিভিন্ন সমস্যায় উপকারী।