April 19, 2026, 9:34 am

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব (দুলু) পেলেন, খাদ্য দুর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের পুর্ন মন্ত্রীর দায়িত্ব ।

মো:মাজেদুল ইসলাম (মামুন)লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি :
মন্ত্রণালয় চালানোর পূর্বের অভিজ্ঞতা এবং উত্তরের মানুষের কাছে বিপুল জনপ্রিয় বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক,তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক ও লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি
অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব(দুলু)।

মন্ত্রিসভায় পেলেন দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পুর্ন মন্ত্রীর দায়িত্ব। তিনি লালমনিরহাট-৩ আসন নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন । জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এ শপথ বাক্য পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

আসাদুল হাবিব দুলু নিজ আসনে বিপুল জনপ্রিয়তা এবং তার সাংগঠনিক দক্ষতা, জনকল্যাণমুখী আন্দোলন কারণে দল-মত নির্বিশেষে তাকে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে খেতাব এনে দিয়েছে বলে মনে করেন রংপুর বিভাগের জন সাধারণ মানুষ ।

রংপুর বিভাগের সাধারণ মানুষের মতে, সংসদীয় রাজনীতি ও দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা তার নতুন নয়, এরআগেও তিনি ২০০১ইং সালে চারদলীয় জোট সরকারের আমলে লালমনিরহাট-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে ন্যায় ও সততার সাথে, দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সে সময় উত্তরবঙ্গের মঙ্গা নিরসন এবং ত্রাণ ব্যবস্থাপনায় তার ভূমিকা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল।
সে হিসেবে এবারও তিনি পূর্ণ মন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পেয়েছেন।

আসাদুল হাবিব দুলু ১৯৫৭ সালে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এই নেতা কর্মজীবনে একজন শিক্ষাবিদ।

তিনি লালমনিরহাটের শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দীর্ঘ দিন দায়িত্ব পালন করেছেন,
যে কারণে সর্বমহলে তিনি ‘অধ্যক্ষ’ হিসেবেই বেশি পরিচিত।

এবারে পুর্ন মন্ত্রিত্বের শপথ গ্রহনের পরে, লালমনিরহাটের সকল নেতা কর্মীদের মাঝে বইছে আনন্দের হাওয়া,অবহেলিত এই রংপুর বিভাগের উন্নয়ন হবে এমন টাই প্রত্যাশা সকলের।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা