রাজশাহী প্রতিনিধি ; গত ৮/৫/২০২৫ ইং রোজ বৃহস্পতিবার রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার ভাল্লুকগাছি ইউনিয়নের ধোকড়াকুল কলেজে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দ্বারা একজন কলেজ ছাত্রকে মারধর করা হয়। এই মারধরের সংবাদ গত ১১/৫/২০২৫ ইং তারিখে দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকাতে রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি মো: রবিউল ইসলাম প্রকাশ করেন। সংবাদটি প্রকাশ করার জেরে আজ ১৩/৫/২০২৫ ইং রোজ মঙ্গলবার বিকেল অনুমানিক সাড়ে পাঁচটায় রবিউলের ছেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শ্যামলী এন্ড হানিফ কাউন্টারে গিয়ে ধোকড়াকুল ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক একরামুল ইসলাম এবং তারই রাজনৈতিক সহযোগী সাবেক মেয়র আল মামুন খানের সন্ত্রাসী বাহিনী কাউন্টার ভাঙচুর করে। এবং তার ক্যাশ ড্রয়ার ভাঙচুর করে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করার টাকা লুটপাট করে। এবং সন্ত্রাসী বাহিনীরা সাংবাদিক রবিউলের ছেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তাদের সাথে আনা গাজা প্রিন্টারের উপরে রেখে ও সিগারেটের প্যাকেটে আনা টাপেন্টা কাউন্টারের চেম্বারে জোরপূর্বক রেখে তার ছেলেকে মাদক ব্যবসায়ী বলে আখ্যায়িত করেন। এবং তার ছেলে মেহেদীকে ব্যাপক মারধর করে জোরপূর্বক সন্ত্রাসী মামুনের মদদপুষ্ট মাদক ব্যাবসায়ী মানিকের আখড়াই নিয়ে গিয়ে জোর করে মেহেদীর মুখে ইয়াবা সেবনের পাইপ দিয়ে ও তার পকেটে জোর করে মাদক ঢুকিয়ে দিয়ে ভিডিও করে এই কাঙ্গাল সন্ত্রাসী বাহিনী। এবং সাংবাদিক রবিউলকে ইতিপূর্বে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য অনেক অপপ্রচার ছড়িয়ে ছিলেন এই সন্ত্রাসী খান মামুন। এবং তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছিলেন। হুমকির বিষয়ে পুঠিয়া থানায় একটি সাইবার আইনে মামলা করা রয়েছে। এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কাগজপত্র সম্পূর্ণ লুটপাট করে নিয়ে গেছে এই সন্ত্রাসী বাহিনী। এবং এই সন্ত্রাসী মামুনের উচ্ছিষ্ট ভোগী গৃহপালিত সাংবাদিক রুবেল ও অশিক্ষিত সাংবাদিক মিজানের নিকট সাবেক মেয়র সন্ত্রাসী মামুনের নির্দেশে তার বাড়িতে বসবাস করা পুঠিয়ার সুপরিচিত পতিতা রিপা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাক্ষি দেয়। এই পতিতাকে কিছুদিন পূর্বে পুঠিয়া থানার ওসি তদন্ত রাত আনুমানিক ১২টায় পুঠিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে ধাওয়া করেছিলেন। জানা যায়, এই পতিতা মাদক ব্যাবসা, মাদক সেবন ও পতিতাবৃত্তির সাথে ওতপ্রতভাবে জড়িত। অভিযোগ আছে এই পতিতার হাত থেকে বিভিন্ন মাইক্রোক্রডিট সংস্থার অফিসারও রেহায় পায়না। সে সন্ত্রাসী খান মামুনের সুপারিশে মাইক্রোক্রেডিট সংস্থা থেকে লোন নেয়। এবং মাইক্রোক্রেডিট অফিসার লোন পরিশোধের কিস্তি নিতে গেলে সে কৌশলে অফিসারকে তার রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে নিজে উলঙ্গ হয়ে পতিতাবৃত্তির মাধ্যমে কিস্তি পরিশোধের প্রস্তাব করে থাকে। এছাড়াও পুঠিয়ার ছিচকা মাস্তান নামে খ্যাত মাদকাসক্ত, চাঁদাবাজ, খান মামুনের বিশ্বস্ত অনুচর মিজান পূর্বপরিকল্পিত সাক্ষি দেয়। কাউন্টারে পরিকল্পিতভাবে উপস্থিত সকল লোকজন মামুনের উচ্ছিষ্ট ভোগী তা এলাকাবাসীর সুত্রে জানা যায়। এবং এলাকাবাসী আরও জানান যে, এরা সব সময় সব জায়গায় দলগতভাবে উপস্থিত হয়ে সন্ত্রাসী খান মামুনের বিরুদ্ধে লড়াই করা মানুষদের নাজেহাল করতে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত থাকে। সাধারণ জনগণ আরও বলেন যে, রবিউলের ছেলে যদি মাদক ব্যাবসা ও সেবনের সমস্ত সামগ্রী কাউন্টারেই রাখে তাহলে তারা নিজেরা এসে তাকে না ধরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ে এসে ধরিয়ে দিতো। কিন্তু তারা তা না করে নিজেরাই মাদক হাতে নিয়ে এসে এই চক্রান্ত করেছে। এই সকল দুষ্কৃতকারীদের অতিসত্বর আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচার দাবি করেন এলাকাবাসী। জানা যায়, সাংবাদিক রবিউল ইসলাম তার কাউন্টারে সন্ত্রাসী খান মামুনের লোকজনের উপস্থিতির খবর জানতে পেরে থানায় ফোন করে তার কাউন্টারে যেতে বলেন।
ওসি কবির হোসেন ও তদন্ত ওসিকে মোবাইল ফোন করা হলে, তারা এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।