April 19, 2026, 9:19 am

মাদকের ব্যাপারে ব জিরো টলারেন্স।নারায়ণগঞ্জ জেলার নবাগত পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার

নারায়ণগঞ্জ জেলার নবাগত পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার,সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় সভায় মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স। আপনারা যদি কোথাও কোনো প্রমাণ পান যে আমার পুলিশের কেউ এর সাথে জড়িত, আমাকে প্রমাণসহ দিতে হবে। আপনি প্রমাণ দিবেন, আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নিবো। কিশোর গ্যাং নিয়ে যদি এখন কাজ করতে যাই, তাহলে উল্টা বিপদ আছে। কী বিপদ? সবাই এক হবে, আবার আমাদের থানা পুড়ানো শুরু হবে। আগে আমরা প্রয়োজন অনুযায়ী কাজগুলো শুরু করি। আপনারা বলেছেন সাংবাদিক ভাইয়েদের নামে মামলা হচ্ছে। আসলে যে কেউ বাদি হয়ে মামলা করতেই পারে। মামলা হওয়ার মানে তো এই না যে তার জেল-হাজত হয়ে যাচ্ছে বা সে অভিযুক্ত হয়ে যাচ্ছে। মামলাটা হলো প্রাথমিক পর্যায়। এরপর আমরা ওইটা তদন্ত করবো। তারপর যদি তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে সে অভিযুক্ত হবে, সতত্যা না পাওয়া গেলে তাকে অভিযোগ থেকে বাদ দেওয়া হবে। তদন্ত না করে কাউকে অহেতুক গ্রেফতার করবে না পুলিশ।

সোমবার সকালে এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সাংবাদিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নবাগত এই পুলিশ সুপার।এসপি বলেন, ‘আমি ২৫তম বিসিএসের একজন কর্মকর্তা। একটি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আমরা এখানে পুলিশের দায়িত্ব নিয়ে এসেছি। এই দায়িত্ব পালনে অনেক প্রতিবন্ধকতা আছে। অনেক চড়াই-উতরাই আছে। কারণ আমাদের পুলিশের মনোবলটা এখন ভেঙ্গে গেছে। গত ৫ আগস্টের পর আমাদের বিভিন্ন থানা-অফিস ভাঙ্গচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। পুলিশের মনোবলটাও ভেঙ্গে গেছে। আমরা পুলিশের মনোবল ফেরাতে প্রথমে কাজ করবো। পাশাপাশি জনগণের মধ্যেও পুলিশের প্রতি যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছিলো, ওই জায়গা থেকে উত্তরণের আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। এক্ষেত্রে সবার আগে সহযোগীতা প্রয়োজন আপনাদের। আপনারা যদি অতিতের মতো সহযোগীতা না করেন, তাহলে আমরা সব পুলিশ মিলেও জনগণের আস্থা ফেরানো সম্ভব না। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করবেন, আমার পুলিশকে সহযোগিতা করবেন। আপনারা অবশ্যই গঠনমূলক সমালোচনা করবেন, সেটাকে আমি সাধুবাদ জানাবো।

এ সময় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো: আমীর খসরু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) চাইলাউ মারমা ডিবি ওসি তরিকুল ইসলামসহ নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানীয় মিডিয়া সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা