October 25, 2026, 6:31 pm

ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ডে ডিভাইডারের পাশে দোকানপাট, ভোগান্তিতে জনগণ

মোঃ আব্দুল কাদের,স্টাফ রিপোর্টার ময়মনসিংহ :

ময়মনসিংহের ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ডিভাইডার-সংলগ্ন স্থানে হকারদের দোকানপাট বসানোকে কেন্দ্র করে যান চলাচল ও পথচারীদের যাতায়াত নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এসব দোকানের অবস্থান ও সড়কের পাশের জায়গার ব্যবহার যানবাহন চলাচলে কতটা প্রভাব ফেলছে, তা যাচাই করা প্রয়োজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য বাস, ট্রাক, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। যাত্রী ওঠানামা, পথচারীদের চলাচল এবং যানবাহনের চাপের কারণে এলাকাটিতে প্রায়ই যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ অবস্থায় ডিভাইডারের আশপাশে দোকানপাটের অবস্থান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও উদ্বেগ রয়েছে।

স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, সরকারি জায়গা ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত সীমানা ও ব্যবহারের শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের মতে, সড়কের পাশের জায়গা ব্যবহারের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত চলাচলের স্থান নিশ্চিত করা না গেলে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে অসুবিধা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জায়গার সীমানা, ইজারার শর্ত এবং দোকানগুলোর অবস্থান সরেজমিনে যাচাই করা প্রয়োজন।

এলাকাবাসীর মতে, যানজট নিরসনে ডিভাইডার স্থাপনের পাশাপাশি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ। দোকানপাটের অবস্থান, যাত্রী ওঠানামার স্থান এবং পথচারীদের চলাচলের ব্যবস্থা সমন্বিতভাবে পর্যালোচনা করা হলে যান চলাচলের সমস্যা চিহ্নিত করা সহজ হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি জায়গা ব্যবহারের শর্ত ও নির্ধারিত সীমানা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। কোনো ক্ষেত্রে নিয়মের ব্যত্যয় বা চলাচলে প্রতিবন্ধকতা পাওয়া গেলে প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, সরেজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে ডিভাইডার-সংলগ্ন জায়গার ব্যবহার, দোকানপাটের অবস্থান এবং যান চলাচলের ওপর এর প্রভাব পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। এতে প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সড়কের স্বাভাবিক চলাচল ও জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেবে।

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা