April 19, 2026, 9:41 am

র‌্যাব-১১ এর অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজাসহ চালক ও হেলপার গ্রেফতার

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিএসসি, আদমজীনগর, নারায়ণগঞ্জের একটি আভিযানিক দল ০৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ থানাধীন আষাঢ়িয়ারচর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চেকপোষ্ট স্থাপন করে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত চেকপোষ্টে চট্টগ্রাম হতে ঢাকাগামী পণ্যবাহী একটি লরী তল্লাশী করে ১৫ কেজি গাঁজা এবং মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের নগদ ৯৮,৮০০/- টাকা উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক পাচারকারীকে হাতে-নাতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক পাচারকারীরা হলোঃ ১। মোঃ ইকবাল খলিল (৩১) এবং ২। মোঃ ইয়াছিন আরাফাত (২৫)। এ সময় মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ০১টি বড় লরী জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামী লরীর হেলপার মোঃ ইকবাল খলিল চট্টগ্রাম জেলার পতেঙ্গা থানাধীন পশ্চিম হোসেন আহম্মেদপাড়া, খেজুরতলা এলাকার মৃত আলেক খাঁ এর ছেলে এবং লরী চালক মোঃ ইয়াছিন আরাফাত একই এলাকার মোঃ আঃ সাত্তার এর ছেলে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা পরষ্পর যোগসাজশে পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত লরীর চালক ও হেলপার পেশার ছদ্মবেশে অভিনব পদ্ধতিতে চট্টগ্রাম থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে নিয়ে এসে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও এর আশেপাশের এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। দীর্ঘদিন যাবৎ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে আসামীরা এরূপ অপতৎপরতা চালিয়ে আসছিল মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ থানায় মাদক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা