April 19, 2026, 9:39 am

কুড়িগ্রামে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত অনুদানভুক্ত ও অনুদানবিহীন সকল স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় জাতীয়করণ ঘোষণার বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি” পালন করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) কুড়িগ্রাম প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ঐক্যজোট, আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটি, কুড়িগ্রাম জেলার আয়োজনে এবং স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ঐক্যজোটের (আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটি) কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মোঃ আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ মানববন্ধন থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয়করণ ঘোষণা বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলে শিক্ষক নেতারা হুঁশিয়ারি দেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মোঃ নুরুন্নবী (কেন্দ্রীয় কমিটি), কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওঃ মোঃ আঃ কুদ্দুস। এছাড়াও শিক্ষক নেতা মনিরুজ্জামান মনির, জাতীয় ওলামা দলের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক ও এবতেদায়ী মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ফজলুল হক, শিক্ষক পরিষদ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সদস্য ওয়াজেদ আলী, সাইফুর রহমান মণ্ডল, আতিকুর রহমান, শামছুল হক, হাসমত আলী, রুহুল আমিন সরকার, সোলায়মান হোসেন, আকতার হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন, আলেপ উদ্দিন, আবু রায়হান, জেসমিন আক্তার প্রমুখ।

মানববন্ধনে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা দীর্ঘদিনের অবহেলিত ও বঞ্চিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ন্যায্য অধিকার এবং বৈষম্য দূরীকরণে বক্তব্য তুলে ধরেন। নীতিমালা বাস্তবায়নসহ অবিলম্বে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণ ঘোষণা বাস্তবায়নের দাবি জানান।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা