April 20, 2026, 5:08 am

তথাকথিত হিজরা সালমানকে ১৫ দিনের সাজাদিল ভ্রাম্যমাণ আদালত

বিমানবন্দর এলাকায় বর্তমান সময়ে পুরুষ থেকে হিজরতের রূপান্তরিত হয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি প্রতিনিয়ত বিদেশি পর্যটক ও দেশীয় রেমিটেন্স যোদ্ধাদের উতক্ত করে আসছে। এদেরকে প্রতিহত করা যেন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ৮ই এপ্রিল

বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গোলচত্তর পদ্মা ওয়েল গেট থে‌কে চাঁদাবাজ ও গনউপদ্রবকারী পুরুষ থেকে রুপান্তরিত হিজড়া সালমানকে গ্রেফতার করা হয়। সে নিজেকে সাবুর শীষ্য বলে দাবি করে । দীর্ঘদিন সাবু ও সালমান বিদেশি পর্যটক, সাধারণ জনগণ, বি‌দেশগামী ও ফেরত যাত্রী‌দের নিকট অ‌শ্লিল অঙ্গ ভঙ্গি ক‌রিয়া জোর পূর্বক টাকা আদায় ক‌রে আসছিলো। টাকা না দি‌লে তারা যাত্রী‌দের আত্মীয় স্বজ‌নের সম্মুখে অ‌শ্লিল কথাবর্তাসহ খারাপ আচরণ করতো।

প্রকৃতপক্ষে তারা হিজড়া না। হিজড়ার ভাব ভঙ্গি ধরে। এরা হলো পুরুষরুপি হিজড়া। বিষয়টি নিয়ে বিমানবন্দর ফাঁড়ির শফিক সাহেবের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং বলেন তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে আদালতে পাঠিয়েছেন বিমানবন্দর ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা