November 8, 2026, 5:20 pm

বকশীগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের প্রতিবাদের সংবাদ সম্মেলন

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার ও কতিপয় সহকারী শিক্ষকদের মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম।
৭ (নভেম্বর) শনিবার দুপুরে প্রতিষ্ঠানের হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলাধীন চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজটি আমার পৈত্রিক সম্পত্তি (একক দান) প্রদান করে আমার মাতার নামে নামকরন করে প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করে এলাকার মধ্যে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছি। তৎকালীন আওয়ামী সরকারের সময় এমপি মহোদয়ের নির্দেশ মোতাবেক আন্দোলন কারী শিক্ষকবৃন্দ (সু-কৌশলে এমপিও ভুক্ত) হয়। প্রতিষ্ঠানের যোগদান কালীন সময়ের পর থেকেই কমিটি তথা আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার সাথে জড়িত। ইতিপূর্বে তাহাদেরকে কমিটির সিদ্ধান্তের আলোকে চাকুরী থেকে অপসারন করা হয়। তাহাদের বেতন ভাতাদি প্রদানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তাহাদের জাল সনদ (যাহা পি.বি.আই কর্তৃক প্রমানিত) তথ্য গোপন করে অন্য প্রতিষ্ঠানে বহিষ্কৃত থাকার পরও উক্ত ইনডেক্স ব্যবহার করে এমপিও ভুক্ত হওয়া। বৈধকরন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমপিও ভুক্ত হওয়া যাহা তদন্ত চলমান। ইএফটি- তে সনদ/জন্মতারিখ/জাতীয় পরিচয় পত্রের গরমিল থাকায় তাদের আবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। সেজন্য তাদের এমপিও কিছুদিন স্থগিত ছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে তাহারা অঙ্গীকারনামা দাখিল করিলে কর্তৃপক্ষ তাহাদের এমপিও ছাড়করন করেন। বিগত ১৫/০৯/২০২৬ ইং তারিখে কমিটির সিদ্ধান্তের আলোকে তাহাদের উপর আনীত অভিযোগ সমূহ নিষ্পত্তি ও বিভিন্ন সময়ে কারন দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তাহাদের পক্ষ থেকে কোন জবাব না পওয়ায় মহা-পরিচালক (মাউশি ও সচিব শিক্ষা মন্ত্রনালয়) প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী পরবর্তী সিদ্ধান্ত চেয়ে বেতন ভাতাদি স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে তাহাদের বেতন ভাতা স্থগিত করা হয়। তাদের বেতন ভাতা স্থগিত বিষয়ে আমার কোন ভূমিকা নাই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যে নির্দেশনা দিয়েছেন আমি সেটা পালন করেছি মাত্র।

উক্ত সহকারী শিক্ষকবৃন্দ প্রতিষ্ঠান প্রধানকে পূর্বের ন্যায় হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য নতুন করে আবার কৌশলী পন্থা বেছে নিয়ে ০৩/১১/২০২৬ ইং তারিখে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের স্ত্রী সহকারী শিক্ষিকা, মনিরা পারভীন, জামাত পন্থী সরকারি শিক্ষক, রুকোনুজ্জামান ছায়েদী, আওয়ামী লীগ পন্থী সরকারি শিক্ষক, মোঃ আব্দুল মোনায়েম, নাজনীন নাহার, শিরিন জাহানারা, বেবি আক্তারের একটি সংঘবদ্ধ দল প্রতিষ্ঠানের সামনে মানববন্ধন করে প্রতিষ্ঠানে প্রধানকে মিথ্যা দোষারোপ করে এবং টাকা লেনদেনের মত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রতিষ্ঠানে নাই এমন মিথ্যা মন্তব্য করে বক্তব্য প্রদান করে।
তিনি আরও বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি তথা আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য তারা এমন কর্মকাণ্ড করে। তিনি চাকুরী বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে বিধিগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

প্রতিনিধি:

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা