July 9, 2026, 5:05 pm

ঝিনাইদহে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক চুল কাটার ঘটনায় হাতাহাতি

ঝিনাইদহে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক চুল কাটার ঘটনায় হাতাহাতি

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের কিসমত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক চুল কাটার ঘটনায় অভিভাবক ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মামুনুর রশিদ শিক্ষার্থীদের একটি ক্লাসরুমে ডেকে এনে বাইরে থেকে সেলুন কর্মী এনে তাদের চুল কাটাতে বলেন। শিক্ষার্থীদের চুল কাটার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে এসে প্রতিবাদ জানান। এই পরিস্থিতিতে কথা-কাটাকাটি হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফিন হোসেন জানান, ‘আমাদের কয়েকজনকে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক চুল কেটে দেওয়া হয়েছে।’ অপর শিক্ষার্থী সাকিন হোসেন বলেন, ‘পাশের বাজার থেকে নাপিত ডেকে এনে আমাদের চুল কেটে দেওয়া হয়েছে।’

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির যুক্তি বলেন, ‘বুধবার অভিভাবকদের সাথে একটি মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, এলোমেলো চুল রাখা শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেওয়া হবে। আমি স্কুলের ভালোর জন্যই কাজটি করেছি।’ হাতাহাতির বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একজন অভিভাবক এসে মূলত এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটিয়েছেন।’

কিসমত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুজ্জামান হিরোক বলেন, ‘এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, যা কাম্য ছিল না। তবে সভাপতি মহোদয় ভালো উদ্দেশ্য নিয়েই এই উদ্যোগটি নিয়েছিলেন।’ ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা অফিসার মো. লুৎফর রহমান জানান, ‘আইনগতভাবে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক চুল কেটে দেবার কোনো সুযোগ নেই।’

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা