পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:
জয়পুরহাটের সীমান্তবর্তী পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের মসজিদ, মন্দির, স্কুল, মাদ্রাসা ও ঈদগাঁর অবকাঠামো উন্নয়নে জেলা পরিষদের বরাদ্দ থেকে সাড়ে ১৯ লাখ টাকা প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পরিষদ প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ মাসুদ রানা প্রধান বাগজানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সংগ্রামী সফল সভাপতি মোঃ নাজমুল হকের হাতে প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে বরাদ্দের চিঠি তুলে দেন।
বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-:- সোনাপুর উচ্চ বিদ্যালয়-২ লাখ, আটাপাড়া ঈদগাঁ-২ লাখ, আটাপাড়া মাজার শরীফ মসজিদ-৫ লাখ, রামচন্দ্রপুর মসজিদ-১ লাখ, রামচন্দ্রপুর উত্তরপাড়া মসজিদ-১ লাখ, রামচন্দ্রপুর পূর্বপাড়া মন্দির-২ লাখ, ঘোড়াপা শাহ্ সুফি আলাউদ্দিন নূরী হাফেজিয়া মাদ্রাসা-দেড় লাখ, ঘোড়াপা ফোরকানিয়া মহিলা মাদ্রাসা-১ লাখ, বাগজানা মাস্টার পাড়া মসজিদ-১ লাখ, রামভদ্রপুর পুরাতন মসজিদ-১ লাখ এবং ভুঁইডোবা এতিমখানা মাদ্রাসায়-২ লাখ টাকা।
জেলা পরিষদ প্রশাসক মোঃ মাসুদ রানা প্রধান এসময় বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগানোর নির্দেশ দেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কাছে দ্রুত বরাদ্দের চিঠি পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দেন চেয়ারম্যান নাজমুল হককে। এসময় আটাপাড়ার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আনিছুর রহমান লিটন উপস্থিত ছিলেন।
জেলা পরিষদ প্রশাসক রানা প্রধানের নির্দেশনা অনুযায়ী বাগজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নাজমুল হক প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে বরাদ্দের চিঠি পৌঁছে দেন। একইসাথে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বরাদ্দের অর্থ উত্তোলনের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানের জেলা পরিষদ প্রশাসকের কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে বলেন।
জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রানা প্রধান বলেন, সীমান্তবর্তী বাগজানা ইউনিয়নের শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। যে সব প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ পায়নি পর্যায়ক্রমে সকল প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও জানায় জেলা পরিষদ প্রশাসক মহোদয়।