তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাহির উদ্দিন স্বপন এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের জন্য সম্ভাব্য তিন বছরের বর্ধিত সময়কে রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, নীতি সংস্কার এবং এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতিতে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অর্থনীতিবান্ধব রাজনীতি ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে র্যাপিডের আয়োজিত ‘এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন অ্যান্ড ট্রেড কম্পিটিটিভনেস’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী জানান, এলডিসি উত্তরণের আনুষ্ঠানিক সময় এখনও আসেনি, তবে রপ্তানি খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখন থেকেই কার্যকর প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।
তিনি বলেন, সরকার গত ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে উত্তরণের সময় ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর আবেদন করেছে। এই অতিরিক্ত সময়কে বিলম্বের সুযোগ হিসেবে নয়, বরং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে।
জাহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থার পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে এগোতে হবে। এলডিসি উত্তরণের পর নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পরিকল্পিত প্রস্তুতি গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। কর্মশালায় অর্থনীতিবিদদের বিভিন্ন সুপারিশও এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি দৌলত আক্তার মালা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফ এবং র্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক।