July 6, 2026, 6:42 pm

আরলিং হালান্ড: ফুটবলে বাবার প্রতিশোধের গল্প

আরলিং হালান্ড: ফুটবলে বাবার প্রতিশোধের গল্প

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে এখন সবার মুখে একটিই আলোচনা—নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আরলিং হালান্ড। ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তার নাম এখন একটি নতুন চর্চার বিষয়।

হালান্ডের গল্পটি তার বাবা আলফইঞ্জ হালান্ডের ক্যারিয়ারের সঙ্গে জড়িত। আলফইঞ্জ, যিনি প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব নটিংহ্যাম ফরেস্ট, লিডস ইউনাইটেড এবং ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলেছেন, ৩৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচেও নরওয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তবে, তার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি রয় কিনের সঙ্গে একটি সংঘর্ষের কারণে।

১৯৯৭ সালে লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলার সময় রয় কিনের সঙ্গে আলফইঞ্জের সংঘর্ষ ঘটে, যেখানে রয় কিন মারাত্মকভাবে আহত হন। চার বছর পর, ২০০১ সালে, রয় কিন আবারও আলফইঞ্জকে আঘাত করেন, যার ফলে আলফইঞ্জের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায়। মাত্র ৩০ বছর বয়সে তাকে ফুটবল থেকে অবসর নিতে হয়।

আলফইঞ্জের অবসরের সময় ছোট আরলিংয়ের বয়স ছিল মাত্র ৩ বছর। বাবার ক্যারিয়ার শেষ হওয়ার পর, আরলিং হালান্ড নিজেকে ফুটবলের শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেন। ২০২২ সালে তিনি ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেন এবং বাবার শত্রু ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে মাঠে নেমে একের পর এক গোল করেন।

হালান্ড তার প্রথম ম্যানচেস্টার ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করে সিটিকে ৬-৩ ব্যবধানে জেতান এবং তার প্রথম মৌসুমেই উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, প্রিমিয়ার লিগ এবং এফএ কাপ জিতে বাবার প্রতিশোধ নেন। আলফইঞ্জ এখন গ্যালারিতে বসে সন্তুষ্টির সঙ্গে দেখছেন, কিভাবে তার ছেলে সেই ক্লাবের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিচ্ছে, যা একসময় তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করেছিল।

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা