July 1, 2026, 11:06 am

কোটা সংস্কারের আন্দোলন: দুই বছরের যাত্রা ও বর্তমান পরিস্থিতি

২০২৪ সালের ১ জুলাই, বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলন ৩৬ দিনের মধ্যে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়, যা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিকে নিয়ে যায়। আজ এই আন্দোলনের দুই বছর পূর্ণ হলো।

আন্দোলনটি ২০১৮ সালে শুরু হয়, যখন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ শুরু করে। ৪ অক্টোবর, ২০১৮ সালে সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিলের ঘোষণা দেয়। তবে, ২০২৪ সালের ৫ জুন হাইকোর্ট ওই পরিপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করলে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ মোট ৫৬ শতাংশ কোটা পুনর্বহাল হয়।

এরপর শিক্ষার্থীরা ফের আন্দোলনে নামেন। ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয় এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করেন। তারা সরকারের কাছে কোটা বাতিলের নতুন নির্বাহী আদেশের দাবি জানান। ৪ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের দাবির আইনি সুরাহা করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনের নেতারা।

১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে নতুন সংগঠন 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' গঠিত হয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারীরা কোটা বাতিলের পরিপত্র পুনর্বহালসহ চার দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা সরকারের কাছে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেন।

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা