জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর উপলক্ষে সোমবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল। স্থানীয় সময় রাত ৯টায় ম্যানহাটনের ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলাদা বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, এবারের সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়া। তাই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সুযোগ সীমিত।
তিনি বলেন, ট্রাম্প ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে সাক্ষাতের আগ্রহ জানিয়েছেন। তবে দুই দেশের সুবিধাজনক সময়ে ভবিষ্যতে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক সফরের মাধ্যমে এ বৈঠক আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এর আগে গত ৩১ আগস্ট বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দেন ট্রাম্প। চিঠিতে শিগগিরই বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।
সফরে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি গুরুত্ব পাবে কি না, জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে আলোচনার সুযোগ নেই বললেই চলে। গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা, নেতৃত্ব ও নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই সফরের মূল লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর সংখ্যা কমানোর বিষয়ে তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেন, এবার আনুষ্ঠানিক বহরে রয়েছেন মাত্র ৩৩ জন। রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধ এবং বহুপক্ষীয় কূটনীতিতে দেশের স্বার্থ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সফরসঙ্গীর সংখ্যা সীমিত রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ, জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপস্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।