জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে টকশোতে অশালীন ভাষায় মন্তব্য করা ঠিক হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ভাষা ব্যবহারে আরও সতর্ক থাকার এবং নিজেকে সংশোধনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এসব কথা বলেন।
পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, অতীতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তাঁর পরিবারের সদস্য এবং বিএনপির মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে তীর্যক ও অশ্রাব্য ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন। এর প্রেক্ষিতে কয়েক মাস আগে তিনি টকশোতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে আপত্তিকর একটি উদাহরণ দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন।
রাশেদ খান আরও বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে একে অপরকে নিয়ে মন্তব্য না করার বিষয়ে কথা হলেও পরে সেই সমঝোতা বজায় থাকেনি। এতে বিষয়টি ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও তিক্ততায় রূপ নেয় বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে নিজের ওই বক্তব্যকে এখন অনাকাঙ্ক্ষিত ভাষাগত ভুল হিসেবে উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও নোংরা ভাষার জবাব নোংরা ভাষায় দেওয়া তাঁর ঠিক হয়নি। ২০২৪ সালের পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশ গঠন, মানবিক মর্যাদা ও বৃহত্তর কল্যাণকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে আরও সংযত থাকার প্রত্যয় জানান।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিসরে গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি সহনশীল ও পরিশীলিত ভাষার চর্চা বাড়ানো প্রয়োজন। ঘৃণা ছড়িয়ে কোনো পক্ষই লাভবান হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান আরও উল্লেখ করেন, ২০১৮ সাল থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তিনি ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার চেষ্টা করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এ বিষয়ে সচেতন থাকবেন।