April 19, 2026, 3:23 pm

মনোহরগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে যুবলীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ

কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লা মনোহরগজ্ঞ উপজেলায় রাতে এক প্রবাসী স্ত্রী ঘরে ঢুকে অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে ইউনিয়ন যুবলীগের নেতার ছেলে মহিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটছে গত ২৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের প্রবাসী জুয়েল মিয়ার বসতঘরে। এ ঘটনায় নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয় এমনকি সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে তাদের অনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে তুলে ধরেন কেউ কেউ।
এ নিয়ে গৃহবধূর শশুর আবুল হাশেম বাদী হয়ে ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা ও দূর্গাপুর গ্রামের নুরুল আমিন ছেলে মহিনের বিরুদ্ধে গত ১ মে মনোহরগুন্জ থানা অভিযোগ করেন। অভিযোগ প্রেক্ষিতে তদন্তে আসেন থানার পুলিশের সদস্যরা। অভিযুক্ত মহিন ও তার বাবা নুরুল আমিন গত কয়েকদিন ধরে অভিযোগ তুলে নিতে বাদীকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করে আসছেন।ভুক্তভোগী প্রবাসী পরিবার এ নিয়ে নিরাপত্তা হীনতা ভুগছেন তারা।
এ বিষয় জানতে চাইলে মহিনের বাবা নুরুল আমিন বলেন, আমার ছেলে বিষয় নিয়ে কোন মন্তব্য করবেনা সে কোন ঘটনা করেনাই, যে ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে আমি তাদের সঙ্গে লড়বো। আমি দল করি পারলে লেখা লেখি করে নিউজ করেন।
গৃহবধূ মিশু আক্তার বলেন, বাথরুমে যাওয়ার জন্য রাতে ঘর থেকে বাহিরে যাই,এ সময় মহিন আমার ঘরে আসে, আমার শশুর দেখতে পায়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার বাইশগাঁও ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের প্রবাসী জুয়েলের স্ত্রী মিশু আক্তারে সাথে একই বাড়ির নুরুল আমিনের ছেলে মহিনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া জড়িয়ে পড়েন তারা। প্রেমের জেরে অনৈতিক কার্যকলাপের লিপ্ত হয়েছেন অনেক বার। গত ২৮ এপ্রিল রাত ১টার দিকে মহিন মিয়া ওই গৃহবধূর বাড়িতে গিয়ে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় শশুরবাড়ির লোকজন মহিন এবং ওই গৃহবধূকে ঘরের ভেতর আটকে রেখে স্থানীয়দের ডেকে আনে এসময় স্থানীয়রা আসতে দেখে অভিযুক্ত মহিন পালিয়ে যায়।পরেরদিন এ ঘটনা নিয়ে গৃহবধূর শশুর ও এলাকার লোকজন মিলে অভিযুক্ত মহিনের বাবা নুরুল আমিন কে জিজ্ঞেস করলে তিনি দলের পরিচয় দিয়ে বাদীর পরিবারকে হুমকি প্রদান করে।
এদিকে ওই গৃহবধূর স্বামীর বাড়ির লোকজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ- ওই গৃহবধূর সঙ্গে মহিনের দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে তিনবার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তাদের। এ সব ঘটনা নিয়ে গ্রাম্য সালিশ ও হয়েছে অনেক বার। কিন্তু সালিশে অভিযুক্ত মহিনের বিরুদ্ধে স্হানীয় মাতাব্বররা সঠিক বিচার করতে পারেনি। দলের ক্ষমা দেখিয়ে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন মহিনের পরিবার। তাই সমাজের লোকজন তাদের সালিশ ধরবার করতে আসেনা কেউ। তাই গৃহবধূর শশুর বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
মঙ্গলবার সকালে মনোহরগুন্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুল কবির বলেন, ‘এ ঘটনায় গৃহবধূর শশুর বাবা বাদি হয়ে মহিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা