মো: মাজেদুল ইসলাম (মামুন)লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
ফুলবাড়ী উপজেলার খলিশা কোঠাল সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) রাতের আঁধারে সড়ক নির্মাণের চেষ্টা চালালে, (বিজিবি’র) বাধায় মুখে কাজ বন্ধ করে,
সড়ক নির্মাণের সামগ্রী সরিয়ে নেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সীমান্তের খুব কাছাকাছি প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে পাকা সড়ক নির্মাণের লক্ষ্যে বিএসএফ মাটি ভরাটের কাজ শুরু করে। বিজিবি বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ,
বি এস এফ সদস্যদের সাথে কথা বলে, কাজ বন্ধ করে দিতে সক্ষম হয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৮ ই জানুয়ারি, খলিশা কোঠাল সীমান্তের আন্তর্জাতিক মেইন পিলার নম্বর ৯৩৪-এর নিকটে বিজিবি ও বিএসএফ এর মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্য্যায়ে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনে বালারহাট ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার :আবু তাহের এবং বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সাহেবগঞ্জ থানাধীন মেঘনারায়ণ কুঠি ক্যাম্পের ইনস্পেক্টর: দীপক কুমার,
কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে সড়ক নির্মাণের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়ায়,
উল্ল্যেখিত ঘটনার প্রেক্ষিতে :১২ ই জানুয়ারি ২০২৬ ইং বিকাল(৩’৩০ ঘটিকায়) বিষয়টি নিয়ে,খালিশা কোঠাল সীমান্তের আন্তর্জাতিক মেইন পিলার নম্বর -(৯৩৪) স্থানে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার (সি ও) পর্যায়ে, দ্বিপক্ষীয়ভাবে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়,
উক্ত পতাকা বৈঠকের সীমান্তে-১৫০ গজের মধ্যে ভারতের অভ্যান্তরে চলমান রাস্তা সংস্কার কার্যক্রমের বিষয়ে বাংলাদেশের বিজিবির পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়,
ভবিষ্যতে এ ধরনের কোন নির্মাণ কাজ কার্যক্রমের পূর্বে বিজিবি কে অবহিত করা সেই সাথে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে, জয়েন্ট সার্ভে টিম কর্তৃক চলমান কাজের স্থান পরিদর্শনের কথা উপস্থাপিত করা হলে উভয় দেশের একমত পোষণ করে।
বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন লালমনিরহাট (১৫ বিজিবি) অধিনায়ক লে: কর্নেল মেহেদী ইমাম পি এস সি।ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন কুচবিহার-৩ বিএসএফ কমান্ড্যান্ট কে, কে, রাও ।