April 19, 2026, 4:46 pm

ফতুল্লা থানা পুলিশ কর্তৃক পিস্তল, ম্যাগজিন, ০৪ রাউন্ড গুলি, সুইচ গিয়ার, ০৪ টি ছোরা, গাঁজা উদ্ধার

জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ:০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ (শনিবার) দিবাগত রাত ১২.১৫ ঘটিকায় জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ হতে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা মডেল থানার ডিউটি অফিসারকে জানায় যে, পূর্ব ইসদাইর সাকিনস্থ চাষাড়া রেল লাইন ফরিদা ক্লিনিক এর পিছনে জনৈক নাসির সাহেবের বাড়ীর (৫২ ঘর নামে পরিচিত) হরমুজ মুন্সীর ভাড়াকৃত ঘরের ভিতরে সাগর নামে একজনকে অজ্ঞাতনামা লোকজন আটক করে রেখেছে । উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে ডিউটি অফিসার ঈগল-২ নাইট ডিউটিতে থাকা এসআই/মোহাম্মদ কামরুজ্জামনকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেন। এসআই/মোঃ কামরুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্সসহ দিবাগত রাত অনুমান ০০.৩৫ ঘটিকার সময় ফতুল্লা মডেল থানাধীন পূর্ব ইসদাইর সাকিনস্থ চাষাড়া রেল লাইন ফরিদা ক্লিনিক এর পিছনে জনৈক নাসির সাহেবের বাড়ীর (৫২ ঘর নামে পরিচিত) হরমুজ মুন্সীর ভাড়াকৃত ঘরের ভিতর থেকে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় তৈরী ম্যাগজিন ভর্তি একটি পিস্তল, যার সমগ্র বডি ঘষা মাজা করা এবং ম্যাগাজিনের ভিতরে একটি গুলি যার অগ্রভাগ (বুলেট) বিহীন উদ্ধার পূর্বক বিধি মোতাবেক জব্দ করেন। স্থানীয় জনগণকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ রাত অনুমান ১১:০০ ঘটিকার সময় স্থানীয় ইসদাইর এলাকার রাজ্জাক গ্রুপের অনুসারী মাহফুজুর রহমান শুভ (১৯) সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন ব্যক্তি হরমুজ মুন্সীর ঘরে প্রবেশ করে তার নাতি হানিফ (২২) একটি মোবাইল এনেছে এই অজুহাতে হরমুজ মুন্সীর ঘরে থাকা আসবাবপত্র এলোমেলো করে এবং মোবাইল ফোন না পেয়ে ঘরে থাকা ব্যক্তিদের মারধর করে বের করে দিয়ে দরজা আটকিয়ে চলে যায়।

এরই ধারাবাহিকতায় ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ বিকেল ৪.৩০ ঘটিকায় ‘ক’ সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাসিনুজ্জামান এর নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস) জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেনসহ সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী রাজ্জাক(৪৫), পিতা- এরশাদ এর দখলে থাকা ঘর তল্লাশি করে ম্যাগাজিন ০২টি, গুলি ০৩ রাউন্ড, খেলনা পিস্তল ০১টি, সুইচ গিয়ার চাকু ০১টি, স্টিলের তৈরি ছোরা ০৪ টি, দা ০১ টি এবং গাজা ০১ কেজি উদ্ধার করে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে জব্দ তালিকা করেন। রাজ্জাক এর নামে ০১ টি অস্ত্র মামলা ও রাজ্জাক এর ছেলে ওয়াসিম (২২) এর নামে ০১ টি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, রাজ্জাক(৪৫) এর নামে হত্যা ও অপহরণসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা