গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের সম্ভাব্য নতুন প্রধানমন্ত্রী ও লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তিনি বলেছেন, পূর্ববর্তী লেবার সরকার গাজায় রক্তপাতের ঘটনায় যথাসময়ে কড়া পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং ক্ষমতায় এসে তার সরকার এ বিষয়ে আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে।
বার্নহ্যামের এই মন্তব্যের পর যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী ইহুদি সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টিও তার অবস্থানের সমালোচনা করেছে, তবে লেবার পার্টির বামপন্থী এমপিরা তার বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বার্নহ্যাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বাধীন সরকার গাজা সংকট যথাযথভাবে মোকাবিলা করতে পারেনি। তিনি জানান, ক্ষমতায় গ্রহণের পর তার সরকার গাজায় সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করবে।
বার্নহ্যাম একই সঙ্গে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিলেও যুক্তরাজ্যের সামগ্রিক পররাষ্ট্রনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে না। তিনি ন্যাটোর প্রতি অঙ্গীকার, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
গাজা যুদ্ধ নিয়ে আন্তর্জাতিক বিতর্কের মধ্যে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান শুরু হয়। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও উভয় পক্ষই তা লঙ্ঘনের অভিযোগে একে অপরকে দায়ী করে আসছে।