এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ:
আসন্ন ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মতি প্রকাশ করায় বৃহত্তর ফতুল্লা ইউনিয়নবাসী নারায়ণগঞ্জ জেলা তাতিদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান উজ্জ্বলকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দীর্ঘদিনের জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।
গতকাল একটি জাতীয় পত্রিকায় মো. সিদ্দিকুর রহমান উজ্জ্বলের একান্ত সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর ফতুল্লা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে আমাদের প্রতিবেদককে মোবাইলে ধন্যবাদ জানান স্থানীয়রা।
বৃহত্তর ইজদাইর এলাকার এক মুরুব্বি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে বৃহৎ জনকল্যাণে একটানা কাজ করে যাচ্ছেন সিদ্দিকুর রহমান উজ্জ্বল। ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি, জলাবদ্ধতা নিরসন ও রাস্তাঘাট উন্নয়নে তিনি সর্বোচ্চ দায়িত্ববোধ নিয়ে দিনরাত কাজ করছেন। এলাকায় মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধে এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করছেন। এলাকার উন্নয়নে আমরা সবাই উজ্জ্বলের পাশে আছি এবং থাকব।
সস্তাপুর এলাকার এক মুরুব্বি বলেন, খাল ভরে যাওয়ার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই আমাদের পুরো এলাকার রাস্তা ডুবে যেত। বিষয়টি উজ্জ্বলকে জানানোর পর তিনি জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের সঙ্গে আলাপ করে তাৎক্ষণিক সস্তাপুর পরিদর্শনে আসেন। পরের দিনই খাল খননের কাজ শুরু হয়। এখন খাল খনন হওয়ায় আগের মতো পানি জমে থাকে না।এজন্য আমরা দস্তাপুর বাসী উজ্জলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি। যাতে নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে আমাদের জন্য আরো জনকল্যাণমূলক কাজ করতে পারে।
তল্লা এলাকার এক ডাক্তার বলেন, উজ্জ্বল শুধু কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। তল্লায় রাতের বেলা মাদক ও বখাটেদের উৎপাত ছিল। তিনি যুবকদের নিয়ে কমিটি করে তা বন্ধ করেছেন। এলাকার গরিব শিক্ষার্থীদের বই-খাতা দিয়েও সহযোগিতা করছেন।
কায়েমপুর এলাকার এক রাজনৈতিক নেতা বলেন, কায়েমপুরের ভাঙা রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হচ্ছিল না। উজ্জ্বল নিজ উদ্যোগে এলাকার লোকজন নিয়ে রাস্তা মেরামতের ব্যবস্থা করেছেন। তিনি দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার কথা শোনেন।
কোতালারবাগের এক শিক্ষক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে উজ্জ্বলের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। তিনি স্কুলের ছাত্রদের খেলাধুলার সামগ্রী দিয়েছেন এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের ফেরাতে অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এমন একজন জনপ্রতিনিধিই আমরা চাই।
লালখার এক ব্যবসায়ী বলেন, জনকল্যাণে কাজ করাই উজ্জলের নেশা, মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারলে ও অনেক আনন্দ পায়। ওর মা-বাবা দুজনই মৃত্যুবরণ করেছেন। ওর জন্য মন ভরে দোয়া করি এবং ওর মা-বাবাকে যেন মহান আল্লাহ পাক জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন। তাই ভালো কাজের মাধ্যমে উজ্জ্বল মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চায়।
গাবতলী এলাকার এক মাদ্রাসার শিক্ষক বলেন,গরিব অসহায় দুস্থদের জন্য উজ্জ্বল প্রায়ই কাজ করে থাকে। কোন অসহায় ব্যক্তি তার কাছ থেকে খালি হাতে ফিরে না এবং বিভিন্ন মাদ্রাসার এতিম বাচ্চাদের জন্য তার পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব তিনি করে যাচ্ছেন। আমাদের মাদ্রাসার সকলের পক্ষ থেকে উজ্জলের জন্য দোয়া রইল।
স্থানীয়দের মতে, মো. সিদ্দিকুর রহমান উজ্জ্বল ফতুল্লা ইউনিয়নের দল-মত নির্বিশেষে সকলের কাছে সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা-ড্রেন সংস্কার, মাদকবিরোধী অভিযান ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো — এসব জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমেই তিনি মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।
এ বিষয়ে মো. সিদ্দিকুর রহমান উজ্জ্বল বলেন, ফতুল্লাবাসীর ভালোবাসা ও দোয়া আমার শক্তি। নির্বাচিত হলে ইনশাআল্লাহ একটি পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য ফতুল্লা গড়তে সবার উপদেশ ও সবাইকে সাথে নিয়ে একসাথে কাজ করব।ফতুল্লা ইউনিয়নকে একটি মডেলে রূপান্তর করব সারা বাংলাদেশের মধ্যে ইনশাল্লাহ।