April 19, 2026, 9:39 am

ফতুল্লার গুলির ঘটনায় পলাতক আসামিদের কুয়াকাটা থেকে গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন চাঁদনী হাউজিং এলাকায় গার্মেন্টসের জুট নামানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গুলিবিদ্ধের ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ৯ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে “বেস্ট স্টাইল কম্পোজিট” নামে একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের জুট নামানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুটি গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ইমরান (১৩) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রসহ দুজন গুলিবিদ্ধ হন।

এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ রাকিবুল হাসান রাকিব (২৩)-এর পিতা মো. হোসেন খোকা (৫৩) বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশে ফতুল্লা থানার এসআই মো. রফিক (পিপিএম) ও এসআই শামীমের নেতৃত্বে একটি দল আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে।

অভিযানের ধারাবাহিকতায় গত ১৪ এপ্রিল দিবাগত রাত ২টা ১৫ মিনিটে পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন কুয়াকাটার “গ্র্যান্ড সাফা” হোটেল থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—মো. খাইরুল আলম জসিম (৫৩),মো. লিয়ন মাহমুদ আকাশ (২২), মো. মনির হোসেন (৪৮)।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা মামলার এজাহারভুক্ত ও তদন্তে প্রাপ্ত পলাতক আসামি।

ধৃত আসামিদের সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিনিধি :

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা