রাজরাড়ী প্রতিনিধি :
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের সমাধীনগর বাজার মহাশ্মশান প্রাঙ্গণে একটি রেইনট্রি গাছের ডাল থেকে আকাশ বাড়ুই (৩৮) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আকাশ বাড়ুই উপজেলার জঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বিশ্বপদ বাড়ুই ও মায়া রানীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আকাশ বাড়ুই স্ত্রীকে সমাধীনগর মহাশ্মশানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি।
শুক্রবার (২৬ জুন) ভোরে স্থানীয় লোকজন মহাশ্মশান প্রাঙ্গণের পশ্চিম পাশে একটি রেইনট্রি গাছের ডালের সঙ্গে প্লাস্টিকের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দীর্ঘদিনের সাংসারিক দারিদ্র্য ও মানসিক চাপে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।
বালিয়াকান্দি থানার এসআই আকবর আলী ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের সমাধীনগর বাজার মহাশ্মশান প্রাঙ্গণে একটি রেইনট্রি গাছের ডাল থেকে আকাশ বাড়ুই (৩৮) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আকাশ বাড়ুই উপজেলার জঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বিশ্বপদ বাড়ুই ও মায়া রানীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আকাশ বাড়ুই স্ত্রীকে সমাধীনগর মহাশ্মশানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি।
শুক্রবার (২৬ জুন) ভোরে স্থানীয় লোকজন মহাশ্মশান প্রাঙ্গণের পশ্চিম পাশে একটি রেইনট্রি গাছের ডালের সঙ্গে প্লাস্টিকের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দীর্ঘদিনের সাংসারিক দারিদ্র্য ও মানসিক চাপে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।
বালিয়াকান্দি থানার এসআই আকবর আল ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।