April 19, 2026, 3:26 pm

সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, বিভিন্ন মামলায় ৩৪ জন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৮১ পুরিয়া হেরোইন ও ২৩ পিস ইয়াবা টেবলেটসহ বিভিন্ন মামলার ৩৪ জন আসামীক গ্রেফতার করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।

শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক।

বৃহস্পতিবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে, মাদক, সাজাপাপ্ত, গ্রেফতারি পরোয়ানা, নিয়মিত মামলাসহ ৩৪ জনেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো: মোঃ সজিব (২৭)
নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মাঝিপাড়া এলাকার মাইনুদ্দিনের ছেলে। ওই এলাকার রাশেদুল ইসলামের ছেলে
মোঃ শুভ মিয়া (২০) মোঃ শাহজালাল (২৫) নারায়ণগঞ্জ সদর থানা এম সার্কেস নতুন হাজিগঞ্জ এলাকার রহমত উল্লাহ এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া মো: মুকবুল হোসেনের ছেলে। ওই এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে হৃদয় (৩৫)। মোঃ নুর ইসলাম বাবু (৩৫), সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এসিআই পানিরকল এলাকার মৃত সামসুদ্দিনের ছেলে। মোসাঃ পারভীন আক্তার (৩৫), সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মাঝিপাড়া মনি মিয়ার বাড়ীর ভাড়াটিয়া রাশেদুল ইসলামের স্ত্রী। ওই এলাকার সাব্বিরের স্ত্রী মোসাঃ সুমি (২৬)।
মিঠুন (৩২) সিদ্ধিরগঞ্জ থানা সুমিলপাড়া বিহারী কলোনী মৃত কাওসারের ছেলে।
মৃত কাশেমের ছেলে ইব্রাহিম (৪৫)

নাছির (২৮) সুমিলপাড়া বিহারী কলোনীর শামীমের ছেলে। নাদিম হোসেন (২৮) গুডুর ছেলে। শাহানাজ (৪৫) আলমের স্ত্রী। ইসরাত জাহান (৫০) ইকবালের স্ত্রী। মোঃ নুরুল হুদা (৪২) গ্যাসলাইন এলাকার কামাল উদ্দিনের ছেলে। লিমা (৩০) সুমিলপাড়া বিহারী কলোনীর হানিফের স্ত্রী।
স্বপন (৪০)মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে।
আশিক (২৩)ওসমানের ছেলে।
মো: জাহিদ (২২) মৃত সালাউদ্দিনের ছেলে। আকাশ (২২) মিজানের ছেলে।
আরমান (৪৫) হাবিবের ছেলে।
ইয়াছিন (২৩)আবুল হোসেনের ছেলেসহ অন্যান্য মামলায় আরও ১৩ জন।

পুলিশ জানায়,নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মহম্মদ আব্দুল বারিক
পিপিএম ও সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ একটি চৌকস আভিযানিক দল (৫ই মার্চ) রাত ১১ থেকে সকাল ৬টা পযন্ত সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক সময়ের কন্ঠস্বরকে জানান,গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩টি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। এছাড়াও সাজাপাপ্ত ২ জন, গ্রেফতারী পরোয়ানা ২ জন, ৫টি জিআর গ্রেফতারী পরোয়ানা ৫ জন, অন্যান্য মামলায় গ্রেফতার ৬ জনসহ সর্বমোট ৩৪ জন আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হইয়াছে। মাদক বিক্রেতা,মাদক সেবনকারী, চোর ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা