April 19, 2026, 4:49 pm

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে চাকরির প্রলোভনে যুবতীকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মোঃ ডালিমকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১

প্রেস রিলিজ :গত ২৭/১১/২০২৫ ইং তারিখ চিটাগাং রোড ওভার ব্রীজের নিচে মোঃ ডালিম (৩৭) এর সাথে ভিকটিমের পরিচয় হয়। তখন ভিকটিমকে মোঃ ডালিম একটি চাকরী দিবে বলে জানায়। গত ০১/১২/২০২৫ ইং তারিখে ভিকটিমকে উক্ত চাকরীর জন্য মদনপুর বাসস্ট্যান্ড যেতে বলে। ভিকটিম গত ০২/১২/২০২৫ ইং তারিখ সকাল ১০.০০ ঘটিকার সময় বন্দর থানাধীন মদনপুর বাসস্ট্যান্ড মোঃ ডালিম এর কথা মত এসে পৌঁছালে সে ভিকটিমকে মারুফ নামে একজনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। তখন মারুফ ভিকটিমকে চাকুরীর ইন্টারভিউয়ের কথা বলে মদনপুরে একটি গেস্ট হাউজে নিয়ে যায়। তার কিছুক্ষণ পরে মোঃ ডালিম ও মারুফ রুমে ডুকে ভিকটিমকে উজ্জল (৪৮) এর সাথে স্যার বলে পরিচয় করিয়ে দেয়। অতপর মোঃ ডালিম ভিকটিমকে ভালো বেতনের কথা বলে কুপ্রস্তাব দেয়। তখন ভিকটিম তার কথামত রাজি না হয়ে রুম থেকে বের হতে চাইলে মারুফ এবং উজ্জ্বলগণ ভিকটিমকে বাধা প্রদান করে এবং তাকে জিম্মি করে জরিয়ে ধরে অতপর, মোঃ ডালিম এবং মারুফ ভিকটিমকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ভিকটিমের ডাক চিৎকার দিতে চাইলে তাকে ভয়ভীতি দেখায়। তারা ভিকটিমকে ধর্ষণ করার পরে উক্ত গেস্টহাউস থেকে জোরপূর্বক বের করে দেয়। এরই প্রেক্ষিতে ভিকটিম বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় এই সংক্রান্তে একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনাটি ঘটার পরপরই বিভিন্ন টিভি এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

অত্র মামলাটি রুজু হওয়ার পর, মামলার এজাহারনামীয় আসামিদের গ্রেফতারের জন্যে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এবং র‍্যাব-৪, সদর কোম্পানি, মিরপুর এর একটি যৌথ আভিযানিক দল অদ্য ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ইং তারিখ ১:৫০ ঘটিকার সময় ডিএমপি ঢাকার দারুসসালাম থানার লালকুঠি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অত্র মামলার এজাহারনামীয় ০১ নং আসামি মোঃ ডালিম (৩৭), পিতা- অজ্ঞাত, সাং-মৌচাক (নিমাই কাসারী), থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা