প্রেস রিলিজ :গত ২৭/১১/২০২৫ ইং তারিখ চিটাগাং রোড ওভার ব্রীজের নিচে মোঃ ডালিম (৩৭) এর সাথে ভিকটিমের পরিচয় হয়। তখন ভিকটিমকে মোঃ ডালিম একটি চাকরী দিবে বলে জানায়। গত ০১/১২/২০২৫ ইং তারিখে ভিকটিমকে উক্ত চাকরীর জন্য মদনপুর বাসস্ট্যান্ড যেতে বলে। ভিকটিম গত ০২/১২/২০২৫ ইং তারিখ সকাল ১০.০০ ঘটিকার সময় বন্দর থানাধীন মদনপুর বাসস্ট্যান্ড মোঃ ডালিম এর কথা মত এসে পৌঁছালে সে ভিকটিমকে মারুফ নামে একজনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। তখন মারুফ ভিকটিমকে চাকুরীর ইন্টারভিউয়ের কথা বলে মদনপুরে একটি গেস্ট হাউজে নিয়ে যায়। তার কিছুক্ষণ পরে মোঃ ডালিম ও মারুফ রুমে ডুকে ভিকটিমকে উজ্জল (৪৮) এর সাথে স্যার বলে পরিচয় করিয়ে দেয়। অতপর মোঃ ডালিম ভিকটিমকে ভালো বেতনের কথা বলে কুপ্রস্তাব দেয়। তখন ভিকটিম তার কথামত রাজি না হয়ে রুম থেকে বের হতে চাইলে মারুফ এবং উজ্জ্বলগণ ভিকটিমকে বাধা প্রদান করে এবং তাকে জিম্মি করে জরিয়ে ধরে অতপর, মোঃ ডালিম এবং মারুফ ভিকটিমকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ভিকটিমের ডাক চিৎকার দিতে চাইলে তাকে ভয়ভীতি দেখায়। তারা ভিকটিমকে ধর্ষণ করার পরে উক্ত গেস্টহাউস থেকে জোরপূর্বক বের করে দেয়। এরই প্রেক্ষিতে ভিকটিম বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় এই সংক্রান্তে একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনাটি ঘটার পরপরই বিভিন্ন টিভি এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
অত্র মামলাটি রুজু হওয়ার পর, মামলার এজাহারনামীয় আসামিদের গ্রেফতারের জন্যে র্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এবং র্যাব-৪, সদর কোম্পানি, মিরপুর এর একটি যৌথ আভিযানিক দল অদ্য ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ইং তারিখ ১:৫০ ঘটিকার সময় ডিএমপি ঢাকার দারুসসালাম থানার লালকুঠি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অত্র মামলার এজাহারনামীয় ০১ নং আসামি মোঃ ডালিম (৩৭), পিতা- অজ্ঞাত, সাং-মৌচাক (নিমাই কাসারী), থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।