প্রেস বিজ্ঞপ্তি: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাঠেরপুল কুতুবআইল এলাকার গৃহবধূ সুমা আক্তার (৩০) হত্যা মামলার মূল আসামি মো. শহীদুল্লাহকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় পিবিআই। এর আগে গতকাল রাত আড়াইটায় ফতুল্লার কাঠেরপুল কুতুবআইল এলাকা থেকে হত্যাকারী কে গ্রেফতার করা হয়।
২০২৩ সালের ঘটনার সময় অত্র মামলার বাদীনি ডিসিস্ট এর মা প্রাথমিকভাবে ধারণা করেন অজ্ঞাতনামা চোরেরা তার মেয়ের বাড়িতে চুরি করতে এসে তার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যায়।এই মর্মে সে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। প্রাথমিকভাবে থানা পুলিশ সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে ডিসিষ্টের বোন সোহানাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে আগস্ট মাসে মামলাটি পিবিআই তে হস্তান্তর করা হলে নারায়ণগঞ্জ পিবিআই মামলাটি তদন্ত শুরু করেন। তদন্তকালে অত্র মামলার পুর্বেই গ্রেপ্তারকৃত সন্দিগ্ধ আসামি ডিসিস্টের বোন সোহানা আক্তার কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।এরপর পিবিআইয়ের তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোপন তদন্তে এই হত্যাকান্ডে ভিক্টিম এর স্বামী জড়িত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হলে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ এই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি ভিক্টিমের স্বামী মো: শহীদুল্লাহ (৩৮) কে অভিযান পরিচালনা করে ২৫/০৯/২০২৫ তারিখ রাত্রি ০২:৩০ ঘটিকায় ফতুল্লা থানা এলাকা হতে গ্রেপ্তার করে। আসামী মো: শহীদুল্লাহ (৩৮) কে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তার স্ত্রীকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে।আসামী মো: শহীদুল্লাহ তার শ্যালীকার সাথে পরকিয়ার জেরে পূর্বপরিকল্পনা মোতাবেক তার স্ত্রীকে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন মর্মে স্বীকার করেন।আসামী মো: শহিদুল্লাহকে অদ্য ২৫/০৯/২৫ দুপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করলে আসামি তার স্ত্রীকে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামি গ্রেফতার হয়েছে। এঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
আসামীকে বিজ্ঞ আদালত জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।