April 19, 2026, 1:07 pm

১০ হাজার লিটার চোরাই ফার্নিশ তেল সহ গ্রেফতার ০১ ॥

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিএসসি’র একটি আভিযানিক দল গত ১০ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিষ্টাব্দে সন্ধ্যা ১৯.০০ ঘটিকার সময় নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আটি গ্রামের ছাপাখানার দক্ষিণ পাশে মোঃ হান্নান প্রধান এর ফার্নিশ তেলের হাউজে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ০১টি তেলের ট্যাংকার ট্রাক ভর্তি ১০,০০০ লিটার চোরাই ফার্নিশ তেল উদ্ধারসহ চোরাই চক্রের সক্রিয় সদস্য আসামী ১। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (২৮)’কে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় চোরাই কাজে ব্যবহৃত ০১টি তেলের ট্যাংকার ট্রাক জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত’কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকায় অবস্থিত পদ্মা ও মেঘনা ডিপো কেন্দ্রিক বেশ কয়েকটি চোরাই তেলের সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে যা বিভিন্ন সময় পত্র পত্রিকায় খবর ও অনুসন্ধানী রিপোর্টে উঠে আসে। পলাতক আসামী হান্নান প্রধানের প্রত্যক্ষ মদদে উক্ত ডিপো হতে অবৈধ উপায়ে তেল সংগ্রহ করে মাটির নিচে ৫০/৬০ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতার তেলের হাউজ তৈরি করে চোরাই ফার্নিশ তেল গোডাউনে মজুদ করে এবং রাতের অন্ধকারে তেলের ট্যাংকার ট্রাকে করে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ ও বিক্রয় করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামী পলাতক আসামীর পরষ্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন কৌশলে অবৈধ উপায়ে জ্বালানী তেল সংগ্রহ এবং মজুদ করে অবৈধভাবে কেনাবেচা করে আসছে বলে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে স্বীকার করে। উল্লেখ্য, পলাতক আসামী হান্নান প্রধান (৩৮) এর বিরুদ্ধে ইতোঃপূর্বে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের দায়ে ১০টি মামলা চলমান রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা