October 5, 2026, 12:48 pm

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি।

সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সবার জন্য মানসম্মত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবার জন্য বাসযোগ্য, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।

‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রোববার দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) দিবসটি পালিত হচ্ছে।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব বসতি দিবস পালনের উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান। নগরগুলো এখন শুধু মানুষের বসবাসের স্থান নয়, বরং কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ফলে পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ টেকসই উন্নয়নের অন্যতম শর্ত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নগরাঞ্চল ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, যানজট, দূষণ এবং অপর্যাপ্ত ও মানহীন আবাসনের মতো নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। এ বাস্তবতায় এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নিরাপদ, সাশ্রয়ী, দূষণমুক্ত, পর্যাপ্ত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ভূমির উচ্চমূল্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে আবাসন সংকট ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এ সংকট আরও প্রকট।

সবার জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য আবাসন কর্মসূচি, জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামো নির্মাণ, নিরাপদ ভবন নির্মাণবিধির যথাযথ বাস্তবায়ন, ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার এবং স্মার্ট ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা নাগরিক সেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর উন্নয়ন ও সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী, গবেষক ও তরুণদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, সুপরিকল্পিত নগরায়ণ ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের নগরাঞ্চলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন পূরণ হবে।

বাণীর শেষে তিনি ‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা