দিল্লি এবং তেহরান যৌথ ভাবে ইরানের চাবাহার বন্দর গড়ার কাজ শুরু করেছিল। গত কয়েক বছর ধরে এই বন্দর প্রকল্পে অর্থবরাদ্দ করে আসছিল ভারত। তবে এ বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে চাবাহারের জন্য কোনও অর্থবরাদ্দ ঘোষণা করা হয়নি।
এক সপ্তাহ আগেই নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান। ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই প্রথম মুখোমুখি বৈঠক হল দু’জনের। সামনেই দিল্লিতে ব্রিক্স সম্মেলন রয়েছে। সেখানে ফের মুখোমুখি হতে পারেন দুই রাষ্ট্রনেতা। তার আগে ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরল ইরান। বিশেষ ভাবে জোর দিল চাবাহার বন্দরের উপরেও।
আগামী ১১-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিক্সের রাষ্ট্রনেতাদের সম্মেলন বসছে। আন্তর্জাতিক এই গোষ্ঠীর সদস্য ইরানও। ওই সম্মেলনের আগে সোমবার দিল্লি-তেহরান বন্ধুত্ব নিয়ে মন্তব্য করলেন ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমায়েল বাঘেই। তিনি বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। এই সম্পর্কের শিকড় জড়িয়ে রয়েছে সমাজব্যবস্থায় এবং ইতিহাসে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব দিই।” এ প্রসঙ্গে তাঁর সংযোজন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই ভাল এবং তা ক্রমে আরও ভাল হচ্ছে।”
দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক বোঝাতে মোদী-পেজ়েশকিয়ানের সাম্প্রতিক বৈঠকের কথাও তুলে ধরে ইরানের বিদেশ মন্ত্রক। গত ৩১ অগস্ট কিরগিজ়স্তানের রাজধানী বিশকেকে ‘সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজ়েশন’ (এসসিও)-এর রাষ্ট্রনেতাদের সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠকে মুখোমুখি বসেন দু’দেশের প্রধান। সে কথা উল্লেখ করে তেহরান বলে, “এসসিও এবং ব্রিকস—উভয়েরই সদস্য ভারত। পাশাপাশি যে সব দেশের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক রয়েছে, তাদের মধ্যে ভারত অন্যতম।”