মানুষ জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে ভুল করে এবং গোনাহের কাজে জড়িয়ে পড়ে। মহানবী (সা.) বলেছেন, গোনাহ করে তাতে অটল থাকা মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়। বরং ভুল বুঝতে পারলে আল্লাহর কাছে ফিরে আসা এবং আন্তরিকভাবে তওবা করা মুমিনের কর্তব্য।
পবিত্র কোরআনে উল্লেখ রয়েছে, ‘হে আমার বান্দারা, যারা নিজেদের প্রতি জুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গোনাহ ক্ষমা করে দেন।’ (সুরা আজ-জুমার: ৫৩) মৃত্যুর আগেই গোনাহ থেকে ফিরে আসা জরুরি।
রাসুলুল্লাহ (সা.) সাতটি গোনাহকে ‘ধ্বংসাত্মক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো: আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা, জাদু করা, অন্যায়ভাবে প্রাণ হত্যা করা, সুদ খাওয়া, এতিমের সম্পদ ভক্ষণ করা, যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করা এবং সতী-সাধ্বী নারীদের বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া। (বোখারি: ২৭৬৬)
শিরক, জাদু, এবং অন্যায় হত্যা ইসলামে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এসব গোনাহ থেকে মুক্ত হতে হলে আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে তওবা করা জরুরি। সুদ এবং এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ করাও গুরুতর অপরাধ।
যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করা এবং মানুষের অধিকার লঙ্ঘন করা হলে সেসব অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া জরুরি। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই যারা তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে, আল্লাহ তাদের পাপগুলোকে পুণ্যে পরিবর্তন করে দেবেন।’ (সুরা আল-ফুরকান: ৭০)
তাহলে, মৃত্যুর আগেই গোনাহ থেকে ফিরে আসা উচিত। আল্লাহর দিকে ফিরে আসার আহ্বান কোরআনে উল্লেখ রয়েছে। (সুরা আজ-জুমার: ৫৩-৫৪)