আগামী চার বছরের মধ্যে ইউরোপে কিছু স্বল্প দূরত্বের রুটে বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে। নতুন প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা ইউরোনিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাটারিচালিত ও হাইব্রিড উড়োজাহাজ স্বল্প দূরত্বের ভ্রমণকে আরও পরিবেশবান্ধব করবে এবং আমদানি করা জেট জ্বালানির ওপর নির্ভরতাও কমাবে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জ্বালানির দাম বাড়ায় এই প্রযুক্তির গুরুত্ব বেড়েছে।
ইউরোপের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে সক্ষম বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ তৈরি করছে, যা ইউরোপের প্রায় ২৫ শতাংশ স্বল্প দূরত্বের আকাশপথে চালানো সম্ভব করবে।
সম্ভাব্য রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্বীপ এলাকায়, যেখানে ট্রেনের বিকল্প নেই। তাই সেখানে বৈদ্যুতিক বিমান কার্যকর হতে পারে।
জার্মানির স্টার্টআপ ভ্যারিডিয়ন ৯ আসনের একটি বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ তৈরি করছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে যাত্রী পরিবহনের অনুমোদন পাওয়ার লক্ষ্য রাখছে। নেদারল্যান্ডসের এলিসিয়ান এয়ারক্রাফট ৯০ আসনের বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ তৈরি করছে, যা ১ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারবে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ চলার সময় কার্বন নিঃসরণ করে না এবং শব্দ ও বায়ুদূষণ কমায়। তবে এগুলো চার্জ দিতে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ যদি নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসে, তবেই পরিবেশগত সুবিধা সবচেয়ে বেশি হবে।