কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। মিয়ানমারের সঙ্গে সীমিত পরিসরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বন্দরের শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কর্মব্যস্ততা বেড়েছে। তবে আমদানি এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর প্রায় এক বছর টেকনাফ স্থলবন্দরের সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ ছিল। চলতি বছরের মে মাস থেকে মিয়ানমার থেকে কাঠবোঝাই ট্রলার বন্দরে আসা শুরু করে, যা ধীরে ধীরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল করে।
বাণিজ্য কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় বন্দরের ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
তবে ব্যবসায়ীদের মতে, বর্তমানে রপ্তানির তুলনায় আমদানি অনেক কম। মিয়ানমার থেকে আমদানির পরিমাণ বাড়লে ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
টেকনাফ বন্দরের কাস্টমস কর্মকর্তা মাহবুব আলম জানান, চলতি বছরের মে মাসে বন্দর দিয়ে রপ্তানি আয় হয় ৩ লাখ ১০ হাজার ৮১২ মার্কিন ডলার। জুনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৪৫৫ দশমিক ১ মার্কিন ডলারে। জুলাই মাসে আমদানি থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৪৫ হাজার ৩৬৩ টাকা ২৫ পয়সা।
মাহবুব আলম আরও জানান, বর্তমানে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানির তুলনায় রপ্তানির পরিমাণ বেশি। সংশ্লিষ্টদের আশা, সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে টেকনাফ স্থলবন্দর আবারও পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।