যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে আলোচনা বাস্তবায়নে পাকিস্তান এবং কাতার বিশেষ দূত পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।
৩ আগস্ট, সোমবার আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক হামলার ঘোষণার পর কূটনৈতিক ফোনালাপ শুরু হয়। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ট্রাম্পের কথোপকথন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও ৩ আগস্ট আলোচনা শুরুর কথা থাকলেও মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা মুখোমুখি বসছেন না।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের পক্ষ থেকে মধ্যস্থতাকারী প্রতিনিধি পাঠানোর মাধ্যমে পরোক্ষ আলোচনা দ্রুত শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বড় হামলার হুমকি দিয়েও পিছিয়ে যাওয়ায় ইরান বর্তমানে মনস্তাত্ত্বিক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।