মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে জাতীয় হকি দলের অনুশীলনে সাংবাদিকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দুপুরের গরমে ৩৫ জনের বেশি খেলোয়াড় অনুশীলন করছেন, তবে ক্যামেরার লেন্স দুটি খেলোয়াড়ের দিকে—রাসেল মাহমুদ জিমি এবং জার্মান কোচ গেহার্ড পিটারের দিকে।
২০১৬ সালের পর পিটার আবার বাংলাদেশে ফিরেছেন এবং জাতীয় হকি দলের হেড কোচ হিসেবে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, দলের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চলছে। ১৮ মাস পর জাতীয় দলে ফিরেছেন জিমি, যিনি আগে বাদ পড়েছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর নতুন অ্যাডহক কমিটি জাতীয় দলের জন্য দরজা খুলে দিয়েছে। সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান সাজেদ আদেল বলেন, 'খেলাই তো হয়নি। আমরা পারফরম্যান্স যাচাই-বাছাই করব।' জিমি, মিমো, নাইমসহ অন্যান্য খেলোয়াড়দের ডাক পাওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।
জাতীয় দলের অনুশীলনে নতুন উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। রাসেল মাহমুদ জিমিকে বাদ দেওয়ার পর হকিতে এক ধরনের থমথমে পরিবেশ ছিল। জাতীয় দলের খেলোয়াড় রেজাউল করিম বাবু জানান, 'জিমি আসায় আমাদের জন্য ভালো হয়েছে।' তিনি অভিজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
জাতীয় দলের নাইমও এক বছর পর ক্যাম্পে ফিরেছেন। তিনি বলেন, 'এখন সবাই খুশি। আগে কথা বলতে গেলে বিপদ হতো।' তিনি জিমির বাদ পড়ার ঘটনার সমালোচনা করেন এবং খেলোয়াড়দের সম্মানের সঙ্গে বিদায় নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।