-
- আন্তর্জাতিক
- ৫৭৮ নাতি-নাতনি, ১০২ সন্তান, ১২ স্ত্রীকে নিয়ে সংসার মুসার
- আপডেটের সময় : মে, ২২, ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
- 9 বার দেখা হয়েছে
উগান্ডার কৃষক মুসা হাসাহিয়া কাসেরা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত ‘বিশ্বের সবচেয়ে ফারটাইল পুরুষ’ হিসেবে। দাবি করা হচ্ছে, তার ১২ জন স্ত্রী, ১০২ সন্তান এবং ৫৭৮-র বেশি নাতি-নাতনি রয়েছে। যেন তার পরিবারের সদস্য দিয়েই গড়ে উঠেছে এক গ্রাম। বিশাল এই পরিবার নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে ব্যাপক আলোচনা।
বর্তমান ব্যস্ত জীবনে অনেক দম্পতির কাছেই সন্তান নেওয়া সহজ বিষয় নয়। কর্মব্যস্ততা, স্বাস্থ্যগত সমস্যা, মানসিক চাপ কিংবা বন্ধ্যাত্ব বিভিন্ন কারণে পরিবার পরিকল্পনা এখন আগের চেয়ে অনেক জটিল হয়ে উঠেছে। ঠিক এমন এক সময়ে আফ্রিকার একটি গ্রামের সাধারণ কৃষককে ঘিরে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। কারণ তার পরিবারের আকার যেন ছোটখাটো একটি গ্রামের সমান।
মুসা হাসাহিয়ার বয়স প্রায় ৬৮ বছর। তিনি পূর্ব আফ্রিকার দেশ উগান্ডার একজন কৃষক। সাধারণ জীবনযাপন করলেও তার পরিবার এখন বিশ্বজুড়ে কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু। স্থানীয়দের ভাষায়, তার বাড়িতে সবসময়ই উৎসবমুখর পরিবেশ থাকে। পরিবারের সদস্যদের সংখ্যা এত বেশি যে প্রতিদিন রান্না, খাবার পরিবেশন ও দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনাই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক সময় পুরো পরিবার একসঙ্গে বসে খেতে পারে না।
মুসা জানিয়েছেন, প্রথম ও শেষ সন্তানের নাম তার মনে থাকলেও মাঝের অনেক সন্তানের নাম তিনি ভুলে যান। তাই তিনি একটি পুরোনো নোটবুকে সন্তান ও নাতি-নাতনিদের নাম লিখে রাখেন।
কীভাবে এত বড় হলো পরিবার?
মুসার দাবি, তিনি বহু বছর ধরে পরিবার বড় করার দিকেই মনোযোগ দিয়েছেন। তার স্ত্রীদের অনেককেই অল্প বয়সে বিয়ে করেছিলেন। আফ্রিকার অনেক গ্রামীণ সমাজে আগে বড় পরিবারকে শক্তি ও সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। কৃষিকাজে বেশি মানুষের অংশগ্রহণও বড় পরিবারের অন্যতম কারণ ছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েক দশক আগে আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে বহু সন্তান নেওয়া ছিল সাধারণ ঘটনা। তবে বর্তমানে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ায় সেই প্রবণতা অনেক কমেছে। বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, উগান্ডাসহ সাব-সাহারান আফ্রিকার কিছু দেশে এখনো জন্মহার তুলনামূলক বেশি। তবে ১০২ সন্তানের মতো ঘটনা এখন অত্যন্ত বিরল।
এত বড় পরিবার পরিচালনা করতে গিয়ে বর্তমানে হিমশিম খাচ্ছেন মুসা। তিনি জানিয়েছেন, কৃষিকাজ করেই পুরো পরিবার চলে। পরিবারের সদস্যরাও মাঠে কাজ করেন। কিন্তু বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এত মানুষের দায়িত্ব নেওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে।
তিনি এখন আর সন্তান চান না বলেও জানিয়েছেন। এমনকি স্ত্রীদের পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণের পরামর্শও দিয়েছেন। কারণ, খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যয় দিন দিন বাড়ছে। মুসার মতে, আগে বিষয়টা সহজ মনে হলেও এখন পরিবার অনেক বড় হয়ে গেছে।
মুসার গল্প ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বিস্ময় প্রকাশ করছেন, কেউ আবার রসিকতা করছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, এই মানুষ একাই একটা গ্রাম গড়ে ফেলতে পারেন! আরেকজন মন্তব্য করেছেন, এখন একটা সন্তান বড় করতেই মানুষ হিমশিম খায়, আর উনি ১০২ সন্তান বড় করেছেন! অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন, এত বড় পরিবারে প্রতিটি সন্তানের যথাযথ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা আদৌ সম্ভব কি না।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে মুসার স্ত্রী সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। কোথাও বলা হয়েছে তার ১২ জন স্ত্রী রয়েছে, আবার অনেক ভাইরাল ভিডিও ও সাক্ষাৎকারে ৮ জন স্ত্রীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অধিকাংশ সাম্প্রতিক আলোচনায় ১২ স্ত্রী ও ১০২ সন্তানের তথ্যই বেশি প্রচারিত হচ্ছে।
জনসংখ্যাবিদদের মতে, আধুনিক সময়ে বড় পরিবার শুধু সামাজিক নয়, অর্থনৈতিক চাপও তৈরি করে। বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশেই পরিবার ছোট রাখার প্রবণতা বেড়েছে। কারণ, একটি শিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বড় ব্যয়ের প্রয়োজন হয়।
তবে সমাজবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আফ্রিকার অনেক অঞ্চলে এখনো পরিবারকে শ্রমশক্তি হিসেবে দেখা হয়। বিশেষ করে কৃষিনির্ভর সমাজে বেশি সন্তান মানে বেশি কর্মক্ষম মানুষ।
মুসা হাসাহিয়া কাসেরার গল্প নিঃসন্দেহে অবাক করার মতো। তবে এটি শুধু বড় পরিবারের গল্প নয়, বরং আফ্রিকার গ্রামীণ সমাজ, জনসংখ্যা, দারিদ্র্য ও সামাজিক বাস্তবতারও একটি প্রতিচ্ছবি। বিশ্ব যখন ছোট পরিবার ও পরিকল্পিত জীবনের দিকে এগোচ্ছে, তখন উগান্ডার এই কৃষকের পরিবার যেন অন্য এক বাস্তবতার গল্প শোনাচ্ছে।
সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস
এই বিভাগের আরও খবর
- যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের পদ ছাড়ছেন তুলসী গ্যাবার্ড
- ইসরায়েলকে বাঁচাতে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ‘অর্ধেক মজুদ’ শেষ যুক্তরাষ্ট্রের
- টফি আর সেলফি: ইতালি-ভারত বৈঠকে ভাইরাল ‘মেলোডি’ মুহূর্ত
- অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে আদালত নয়, সোজা সীমান্ত পার: শুভেন্দু অধিকারী
- আল জাজিরা বিশ্লেষণ : একে অপরের প্রতি কতটা নির্ভরশীল রাশিয়া-চীন
- সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের
- ইরান যুদ্ধ চালাতেই হবে: ট্রাম্প
- যুক্তরাষ্ট্র-নাইজেরিয়ার যৌথ অভিযানে নিহত ১৭৫ আইএস জঙ্গি
- সিবিএসের প্রতিবেদন হরমুজ প্রণালিতে অন্তত ১০টি মাইন শনাক্তের দাবি মার্কিন গোয়েন্দাদের
- পাকিস্তানের পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ইমরান খানকে অপসারণ করা হয় ২০২২ সালের এপ্রিলে। সে ঘটনার প্রায় চার বছর পর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতার দাবি করেছে একটি মার্কিন গণমাধ্যম। এতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিষয়ে ইমরান খানের অবস্থান নিয়ে ক্ষেপে গিয়েছিলেন মার্কিন কর্মকর্তারা। ‘ফ্রম মিউচুয়াল সাসপিশন টু পলিটিক্যাল এমব্রেস: হাউ দ্য ইউএস লার্নড টু স্টপ ওয়ারিয়িং অ্যান্ড লাভ পাকিস্তান’ শিরোনামে সোমবার ওই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে অনুসন্ধানী গণমাধ্যম ‘ড্রপ সাইট’। এর একটি অংশে ইমরান খানকে অপসারণের প্রক্রিয়া এবং এতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক তৎকালীন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র হিসেবে তারা গোপন কূটনৈতিক তারবার্তার বরাত দিয়েছে। দীর্ঘ প্রতিবেদনটির ‘অল উইল বি ফরগিভেন’ উপশিরোনামের অংশে গণমাধ্যমটি লিখেছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করেন। এরপর রাশিয়াকে দমানোর বিষয়টি তৎকালীন জো বাইডেন প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে ওঠে। কোনো একটি পক্ষ বেছে নেওয়ার জন্য মার্কিন কূটনীতিকরা বিভিন্ন দেশের সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। ওই সংঘাতকে কেন্দ্র করে বিশ্ব যখন বিভক্ত হতে শুরু করে, তখন আকস্মিক এক ঝড়ের মাঝে পড়ে পাকিস্তান। ইমরান খান ও ডোনাল্ড লু। ছবি: সংগৃহীত ইমরান খান ও ডোনাল্ড লু। ছবি: সংগৃহীত ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ বাহিনী ইউক্রেনের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। সেদিনই পূর্ব নির্ধারিত একটি সফরে মস্কোতে অবস্থান করছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পুতিনের সঙ্গে তিনি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন। তবে এই সফরের কয়েকদিন আগে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মইদ ইউসুফকে ফোন করেছিলেন জো বাইডেনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান। তিনি ইমরান খানের মস্কো সফর বাতিলের তাগিদ দেন। ইউসুফ ও সুলিভানের ফাঁস হওয়া সেই ফোনালাপের বরাত দিয়ে ড্রপ সাইট লিখেছে, সুলিভান ওই সফরের বিষয়ে ইসলামাবাদকে সতর্ক করেছিলেন। ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিতে তিনি পাকিস্তানকে চাপ দেন। কিন্তু ইমরান খান সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেন। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর খবর যেদিন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সেদিনই পুতিন ও ইমরান খানের বৈঠকের একটি ছবি ভাইরাল হয়। তাতে দুই নেতা করমর্দন করছিলেন। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা তখন বলেছিলেন, কয়েক মাস ধরে ওই সফরটির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাই সেটি বাতিলের সুযোগ ছিল না। কিন্তু তারপরও ওয়াশিংটন বৈঠকটিকে সহজভাবে নেয়নি। পুতিন-ইমরান বৈঠকের কয়েকদিন পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব তোলা হয়। তাতে চীন, ভারত ও গ্লোবাল সাউথের বেশিরভাগ দেশ ভোট দিলেও পাকিস্তান বিরত থাকে। ড্রপ সাইট লিখেছে, ইমরান খানের মস্কো সফর এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ না নেওয়ায় মার্কিন কূটনীতিকরা এমনিতেই ক্ষুব্ধ ছিলেন। ফলে তাঁরা ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের জানাতে শুরু করেন, দুই দেশের সুসম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। ইমরান খান ও ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি: এএফপি ইমরান খান ও ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি: এএফপি ২০২২ সালের ৭ মার্চ ডোনাল্ড লুর সঙ্গে বৈঠক করেন ওয়াশিংটনে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসাদ মজিদ খান। পরে মজিদ ও লুর কথোপকথনের অত্যন্ত গোপনীয় একটি কূটনৈতিক তারবার্তা ফাঁস হয়। যেটি সাইফার নামে পরিচিত। তারবার্তার বরাত দিয়ে ড্রপ সাইট লিখেছে, পাকিস্তানি দূতকে ডোনাল্ড লু বলেছিলেন, ইমরান খানের সরকারের প্রতি ওয়াশিংটনের যে ক্ষোভ তা এড়ানো সম্ভব। লু আরো বলেছিলেন, ‘অল উইল বি ফরগিভেন’ অর্থাৎ সবকিছু ক্ষমা করে দেওয়া হবে। এই বাক্যটির উদ্ধৃতি দিয়ে পরে পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, ‘যদি অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করা হয়।’ পরের মাসে (৯ এপ্রিল) পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সমর্থনপুষ্ট একটি অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করা হয়। এরপর তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (পিটিআই) কার্যত নিষিদ্ধ করা হয়। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে পিটিআইয়ের যেসব নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন, তাঁদেরও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচনের এসব বিষয় তখন এড়িয়ে যায়। ড্রপ সাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন। স্ক্রিনশট ড্রপ সাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন। স্ক্রিনশট ইমরান খান ও তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবিকে দুর্নীতি, আদালত অবমাননা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি মামলায় কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ড্রপ সাইট লিখেছে, ইমরান খানের সরকার ওয়াশিংটনকে যা যা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, সামরিক সমর্থনপুষ্ট বর্তমান সরকার ক্ষমতায় বসে তা সরবরাহ করতে শুরু করে। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে পাকিস্তান গোপনে ইউক্রেনের কাছে গোলাবারুদ পাঠায়। ফাঁস হওয়া নথি থেকে জানা যায়, ওই অস্ত্রগুলো তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইউক্রেনে পাঠানো হয়েছিল। বিনিময়ে পাকিস্তান পরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পায়