-
- আন্তর্জাতিক
- সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের
- আপডেটের সময় : মে, ২০, ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ
- 8 বার দেখা হয়েছে
যুদ্ধের প্রথম দফার হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা নিহত হওয়ার কয়েক দিন পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেন, তার মতে ‘ভেতর থেকেই কেউ’ ইরানের ক্ষমতা গ্রহণ করলে সবচেয়ে ভালো হয়। তবে এখন জানা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধের শুরুতেই এমন একজন নির্দিষ্ট এবং অনেকটা চমকপ্রদ ব্যক্তিকে মাথায় রেখেছিল। তিনি হলেন ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। তিনি তার কঠোরপন্থী এবং ইসরাইলবিরোধী ও মার্কিনবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত।
কিন্তু এই সাহসী পরিকল্পনা, যা ইসরাইল তৈরি করেছিল এবং যেখানে আহমাদিনেজাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল, দ্রুতই ব্যর্থ হয়ে যায়। এমনটাই জানিয়েছেন এ বিষয়ে ব্রিফিং পাওয়া মার্কিন কর্মকর্তারা। মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম দিনেই তেহরানে আহমাদিনেজাদের বাড়িতে ইসরাইলি হামলায় তিনি আহত হন। হামলাটি মূলত তার নিরাপত্তা প্রহরীদের সরিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল, যারা তাকে গৃহবন্দি অবস্থায় নজরদারিতে রেখেছিল। কর্মকর্তা ও আহমাদিনেজাদের এক সহযোগী জানান, তিনি হামলায় বেঁচে যান। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে পরিকল্পনা নিয়ে তার মনোভাব বদলে যায় এবং তিনি হতাশ হয়ে পড়েন। এরপর থেকে তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি এবং তার বর্তমান অবস্থান ও শারীরিক অবস্থা অজানা।
আহমাদিনেজাদকে এমন একজন সম্ভাব্য নেতা হিসেবে ভাবা হয়েছিল, যা অনেকের কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক সিদ্ধান্ত মনে হতে পারে। কারণ, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে তিনি ইসরাইলকে ‘মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা উচিত’ বলে মন্তব্য করেন। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির দৃঢ় সমর্থক এবং যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থান নিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তিনি অভ্যন্তরীণ বিরোধীদের কঠোরভাবে দমন করেন। কীভাবে তাকে এই পরিকল্পনায় যুক্ত করা হয়েছিল তা এখনো অজানা।
এই পরিকল্পনার অস্তিত্ব আগে কখনো প্রকাশ হয়নি। এটি ইসরাইলের একটি বহু ধাপের কৌশলের অংশ ছিল, যার লক্ষ্য ছিল ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা উৎখাত করা। এটি দেখিয়ে দেয় যে, ডনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধ শুরুর সময় শুধু সামরিক লক্ষ্য নয়, বরং রাজনৈতিক নেতৃত্ব বদলের একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিকল্পনাও বিবেচনা করেছিলেন। তা তাদের ঘোষিত সীমিত লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে কিছুটা সাংঘর্ষিক।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুরু থেকেই অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’র লক্ষ্য স্পষ্ট করেছিলেন। তা হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা, তাদের নৌবাহিনী দুর্বল করা এবং তাদের প্রক্সি শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা। মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের সব লক্ষ্য পূরণ করেছে এবং এখন আমাদের আলোচকরা এমন একটি চুক্তি করতে কাজ করছে, যা ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা স্থায়ীভাবে শেষ করবে। ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যুদ্ধের প্রথম দিনগুলোতে মার্কিন কর্মকর্তারা ইসরাইলের সঙ্গে মিলে এমন একজন বাস্তববাদী ব্যক্তি খুঁজে বের করার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন, যিনি ইরানের ক্ষমতা নিতে পারেন। তাদের দাবি ছিল, ইরানের ভেতরে এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছে যারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী, যদিও তাদের সরাসরি মধ্যপন্থী বলা যায় না।
ট্রাম্প তখন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার অভিযানের সাফল্য নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন। এটা তিনি অন্য দেশেও প্রয়োগযোগ্য মনে করছিলেন। আহমাদিনেজাদ আগে ধর্মীয় শাসনের কঠোর সমালোচকদের একজন ছিলেন। পরে ধীরে ধীরে সরকারের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন এবং দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। তাকে একাধিকবার নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয় এবং তার সহযোগীদেরও গ্রেপ্তার করা হয়।
২০১৭, ২০২১ এবং ২০২৪ সালে তিনি আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলেও ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিল তা প্রত্যাখ্যান করে। পরবর্তীতে তিনি কিছুটা বিরোধী কণ্ঠে পরিণত হন, যদিও পুরোপুরি প্রকাশ্য বিরোধী ছিলেন না। ২০১৯ সালে তিনি এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক পুনর্মিলনের কথা বলেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প একজন কর্মঠ মানুষ। তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে খরচ-লাভ হিসাব করতে পারেন। আমাদের উচিত দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ বিবেচনা করা।
আহমাদিনেজাদের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও উঠেছে।
২০১৮ সালে তার সাবেক চিফ অব স্টাফ এসফানদিয়ার রহিম মাশাইয়ের বিরুদ্ধে বৃটিশ ও ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে বিচার হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আহমাদিনেজাদের বিদেশ সফর নতুন করে সন্দেহ ও গুঞ্জন তৈরি করে। ২০২৩ সালে তিনি গিয়েছিলেন গুয়াতেমালা এবং ২০২৪-২০২৫ সালে হাঙ্গেরিতে। সেখানে ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এই সফরগুলো তার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্ন তোলে।
যুদ্ধ শুরুর সময় তিনি খুব কমই প্রকাশ্যে কথা বলেন এবং সামাজিক মাধ্যমে সীমিত প্রতিক্রিয়া দেন। তার নীরবতা অনেক ইরানি সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। ইসরাইলের পরিকল্পনা অনুযায়ী যুদ্ধটি কয়েক ধাপে এগোনোর কথা ছিল। প্রথমে বিমান হামলা ও শীর্ষ নেতাদের হত্যা, এরপর কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ তৈরি, তারপর রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে সরকার পতন ঘটানো। কিন্তু বাস্তবে এই পরিকল্পনার বড় অংশই ব্যর্থ হয় এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় কাঠামো টিকে যায়। তবুও কিছু ইসরাইলি কর্মকর্তা এখনও বিশ্বাস করেন, তাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সফল হতে পারত যদি পুরো অপারেশন চালু করা যেত।
মোসাদের প্রধান ডেভিড বার্নিয়া ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছেন, পরিকল্পনাটি সফল হওয়ার ভালো সম্ভাবনা ছিল বলে তিনি মনে করেন- যদি সেটি পুরোপুরি অনুমোদন পেত।
এই বিভাগের আরও খবর
- ইরান যুদ্ধ চালাতেই হবে: ট্রাম্প
- যুক্তরাষ্ট্র-নাইজেরিয়ার যৌথ অভিযানে নিহত ১৭৫ আইএস জঙ্গি
- সিবিএসের প্রতিবেদন হরমুজ প্রণালিতে অন্তত ১০টি মাইন শনাক্তের দাবি মার্কিন গোয়েন্দাদের
- পাকিস্তানের পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ইমরান খানকে অপসারণ করা হয় ২০২২ সালের এপ্রিলে। সে ঘটনার প্রায় চার বছর পর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতার দাবি করেছে একটি মার্কিন গণমাধ্যম। এতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিষয়ে ইমরান খানের অবস্থান নিয়ে ক্ষেপে গিয়েছিলেন মার্কিন কর্মকর্তারা। ‘ফ্রম মিউচুয়াল সাসপিশন টু পলিটিক্যাল এমব্রেস: হাউ দ্য ইউএস লার্নড টু স্টপ ওয়ারিয়িং অ্যান্ড লাভ পাকিস্তান’ শিরোনামে সোমবার ওই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে অনুসন্ধানী গণমাধ্যম ‘ড্রপ সাইট’। এর একটি অংশে ইমরান খানকে অপসারণের প্রক্রিয়া এবং এতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক তৎকালীন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র হিসেবে তারা গোপন কূটনৈতিক তারবার্তার বরাত দিয়েছে। দীর্ঘ প্রতিবেদনটির ‘অল উইল বি ফরগিভেন’ উপশিরোনামের অংশে গণমাধ্যমটি লিখেছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করেন। এরপর রাশিয়াকে দমানোর বিষয়টি তৎকালীন জো বাইডেন প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে ওঠে। কোনো একটি পক্ষ বেছে নেওয়ার জন্য মার্কিন কূটনীতিকরা বিভিন্ন দেশের সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। ওই সংঘাতকে কেন্দ্র করে বিশ্ব যখন বিভক্ত হতে শুরু করে, তখন আকস্মিক এক ঝড়ের মাঝে পড়ে পাকিস্তান। ইমরান খান ও ডোনাল্ড লু। ছবি: সংগৃহীত ইমরান খান ও ডোনাল্ড লু। ছবি: সংগৃহীত ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ বাহিনী ইউক্রেনের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। সেদিনই পূর্ব নির্ধারিত একটি সফরে মস্কোতে অবস্থান করছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পুতিনের সঙ্গে তিনি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন। তবে এই সফরের কয়েকদিন আগে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মইদ ইউসুফকে ফোন করেছিলেন জো বাইডেনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান। তিনি ইমরান খানের মস্কো সফর বাতিলের তাগিদ দেন। ইউসুফ ও সুলিভানের ফাঁস হওয়া সেই ফোনালাপের বরাত দিয়ে ড্রপ সাইট লিখেছে, সুলিভান ওই সফরের বিষয়ে ইসলামাবাদকে সতর্ক করেছিলেন। ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিতে তিনি পাকিস্তানকে চাপ দেন। কিন্তু ইমরান খান সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেন। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর খবর যেদিন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সেদিনই পুতিন ও ইমরান খানের বৈঠকের একটি ছবি ভাইরাল হয়। তাতে দুই নেতা করমর্দন করছিলেন। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা তখন বলেছিলেন, কয়েক মাস ধরে ওই সফরটির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাই সেটি বাতিলের সুযোগ ছিল না। কিন্তু তারপরও ওয়াশিংটন বৈঠকটিকে সহজভাবে নেয়নি। পুতিন-ইমরান বৈঠকের কয়েকদিন পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব তোলা হয়। তাতে চীন, ভারত ও গ্লোবাল সাউথের বেশিরভাগ দেশ ভোট দিলেও পাকিস্তান বিরত থাকে। ড্রপ সাইট লিখেছে, ইমরান খানের মস্কো সফর এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ না নেওয়ায় মার্কিন কূটনীতিকরা এমনিতেই ক্ষুব্ধ ছিলেন। ফলে তাঁরা ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের জানাতে শুরু করেন, দুই দেশের সুসম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। ইমরান খান ও ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি: এএফপি ইমরান খান ও ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি: এএফপি ২০২২ সালের ৭ মার্চ ডোনাল্ড লুর সঙ্গে বৈঠক করেন ওয়াশিংটনে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসাদ মজিদ খান। পরে মজিদ ও লুর কথোপকথনের অত্যন্ত গোপনীয় একটি কূটনৈতিক তারবার্তা ফাঁস হয়। যেটি সাইফার নামে পরিচিত। তারবার্তার বরাত দিয়ে ড্রপ সাইট লিখেছে, পাকিস্তানি দূতকে ডোনাল্ড লু বলেছিলেন, ইমরান খানের সরকারের প্রতি ওয়াশিংটনের যে ক্ষোভ তা এড়ানো সম্ভব। লু আরো বলেছিলেন, ‘অল উইল বি ফরগিভেন’ অর্থাৎ সবকিছু ক্ষমা করে দেওয়া হবে। এই বাক্যটির উদ্ধৃতি দিয়ে পরে পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, ‘যদি অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করা হয়।’ পরের মাসে (৯ এপ্রিল) পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সমর্থনপুষ্ট একটি অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করা হয়। এরপর তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (পিটিআই) কার্যত নিষিদ্ধ করা হয়। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে পিটিআইয়ের যেসব নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন, তাঁদেরও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচনের এসব বিষয় তখন এড়িয়ে যায়। ড্রপ সাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন। স্ক্রিনশট ড্রপ সাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন। স্ক্রিনশট ইমরান খান ও তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবিকে দুর্নীতি, আদালত অবমাননা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি মামলায় কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ড্রপ সাইট লিখেছে, ইমরান খানের সরকার ওয়াশিংটনকে যা যা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, সামরিক সমর্থনপুষ্ট বর্তমান সরকার ক্ষমতায় বসে তা সরবরাহ করতে শুরু করে। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে পাকিস্তান গোপনে ইউক্রেনের কাছে গোলাবারুদ পাঠায়। ফাঁস হওয়া নথি থেকে জানা যায়, ওই অস্ত্রগুলো তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইউক্রেনে পাঠানো হয়েছিল। বিনিময়ে পাকিস্তান পরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পায়
- ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে হত্যা করলে ৫৮ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেবে ইরান
- আরব দেশগুলোর অনুরোধে ইরানে নতুন হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের
- আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাংলাদেশে জামাতিদের ‘চিড়বিড়ানি’ বেড়ে গেছে: শুভেন্দু অধিকারী
- বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের পদত্যাগের পরিকল্পনা নেই: ডেভিড ল্যামি
- ইবোলায় ৯০ জনের মৃত্যু, কঙ্গো-উগান্ডায় জরুরি অবস্থা জারি
- আলোচনা ব্যর্থ হলে আগামী সপ্তাহেই ইরানে তীব্র হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল