April 20, 2026, 1:39 am

নারায়ণগঞ্জে অস্ত্র কারখানা শনাক্ত : আটক ১

নারায়ণগঞ্জ: অস্ত্র তৈরি এবং সরবারহের অভিযোগে নিতাইগঞ্জ থেকে করিম মিয়া নামের এক ব্যাক্তিকে আটক করেছ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানে অভিযুক্ত ব্যাক্তির বাসা থেকে দুটি দেশীয় রিভলভার এবং একটি দেশীয় একনলা শটগানসহ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে নিতাইগঞ্জের ঋষিপাড়ার নলুয়াপাড়া এলাকায় অভিযানে এ অস্ত্র তৈরির কারখানা শনাক্ত করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযান শেষে গণমাধ্যমকর্মীদেরকে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) চাইলাউ মারমা বলেন, বহুদিনের তথ্য ছিল যে নিতাইগঞ্জ থেকে সারা দেশে দেশে অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে। ঘরোয়া পরিবেশে দেশীয় অস্ত্র তৈরি এবং সরবরাহের কারবার চলছে। এই তথ্য অনুসদ্ধান করতে করতে আজ বিকেল সাড়ে পাঁচটায় আমাদের ডিবির টিম আসে এখানে। তারা হাতেনাতেই অস্ত্র তৈরির কারবারিকে করিম মিয়াকে আটক করে। অভিযানের সময় করিম মিয়া থেকে দুটি দেশীয় রিভলভার এবং একটি দেশীয় একনলা শটগানসহ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটককৃত করিম মিয়া হলেন চাঁদপুরের হাইমচর মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। করিম ৯০ দশকের সময় এখানে আসেন। এখানে বোনের বাসার পেছনে সেই অস্ত্র তৈরির কারবারি চালাচ্ছিলো। আমরা তাকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করছি। তার থেকে জানার চেষ্টা করছি যে, তিনি কার কার কাছে অস্ত্র সরবরাহ করে বা কার থেকেই সরঞ্জাম ক্রয় করেছেন। করিম মিয়া জানিয়েছেন তার সাথে আরো দুইজন সঙ্গী আছেন, আমরা তাদেরকে আটক করার চেষ্টা করছি। করিম মিয়া চাঁদপুর থেকে ১৯৯০ সালে এখানে আসেন। এখানে এসে কবুতর পালন করতেন কিন্তু কবুতরের পাশাপাশি সে এই অস্ত্র তৈরি ব্যবসাটি করতেন। বিগত একবছর ধরে তিনি কবুতর পালন বাদ দিয়ে এই ব্যবসায় আছেন।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা